সোনার লোভে পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে হত্যা, প্রতিবেশী দম্পতিসহ আটক ৩
শিশুর মৃত্যুর ঘটনা বিস্তারিত
স ন র ল ভ ৫ বছর – সোনার লোভে পাঁচ বছর বয়সী শিশুকে হত্যার ঘটনায় সান্তাহার পৌর শহরে বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ শিশুর মৃত দেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনার অভিযোগ প্রতিবেশী দম্পতির বিরুদ্ধে উঠেছে। নিহত রাখা মনি ছিলেন অটোভ্যান গ্যারেজের কর্মচারী আবু রায়হানের মেয়ে। বৃহস্পতিবার সরকারি কলেজ এলাকায় প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে তাকে একা পয়ে আমজাদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন তার কানে এক জোড়া সোনার দুল ছিল।
হত্যার প্রক্রিয়া এবং পুলিশ ক্রিয়া
শিশুটিকে হত্যা করার ঘটনার পর তারা সোনার দুল ছিনিয়ে নেয় এবং গলায় ফাঁস দিয়ে তাকে হত্যা করে। মৃত দেহটি প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে মেঝেতে ফেলে রাখা হয়। শিশুর পরিবারের সদস্যরা ক্ষুব্ধ হয়ে মৃত দেহ খুঁজে চলে। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে প্রতিবেশী আমজাদের বাড়িতে মৃতদেহটি দেখতে পান তারা। তখন বিষয়টি মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ায় বিক্ষুব্ধ জনতা আমজাদ ও তার স্ত্রী বন্যাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ তাদের থানায় নেওয়ার পর পরই এলাকাবাসী আটকদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে ফাঁড়ি পুলিশের পরিদর্শক (আইসি) ও কয়েকজন সদস্য আহত হন।
সোনার লোভে শিশুটির হত্যার ঘটনা এই সময়ে নিয়ন্ত্রণে আনতে সান্তাহার পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। অভিযুক্তদের নিয়ে পরিদর্শন করার সময় তাদের বাড়িতে দুল ও অন্যান্য প্রমাণ আবিষ্কার করা হয়। কিছু সাক্ষী থেকে কথোপকথনের সময় এ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়। সোনার লোভে ক্ষমতার ব্যবহার এবং পরিবারের দুর্দশার প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিবেশীরা পুলিশকে সহায়তা করে। ক্রমে ক্রমে আটকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণে কার্যত সংঘটিত হয়।
পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর সোনার লোভে হত্যার ঘটনা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য উঠে আসে। তদন্ত প্রসঙ্গে জানা যায় যে দুল ছিনিয়ে নিয়ে শিশুটিক