হাইকোর্টে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার শুনানি পরিচালনার জন্য বিশেষ আইনজীবী প্যানেল গঠন
হ ইক র ট ন র শ – হাইকোর্ট শিশু হত্যা ও ধর্ষণ মামলার শুনানি প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে এবং এই কার্যক্রমে নতুন বিশেষ বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইন সংক্রান্ত মামলাগুলো বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এ বিশেষ আইনজীবী প্যানেল নির্মাণে কোর্ট নিজেকে বিশেষ স্থানে নিয়োগ করেছে। আপিল প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ বিস্তারিত তথ্য প্রকাশে এই প্যানেলের ভূমিকা অপরিহার্য। এই বিশেষ বেঞ্চে শুনানি করতে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং তার চার সহকর্মী আইনজীবী নেতৃত্ব দেবেন। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে হাইকোর্ট নির্বাচিত আইনজীবীদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রস্তুত হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী বিশেষ বেঞ্চ গঠনে অগ্রাধিকার দিয়েছেন
গত বুধবার (৯ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী হাইকোর্ট সদর দ্বারে বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। সেই বেঞ্চে শুনানি করতে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল নেতৃত্ব দেবেন। বেঞ্চের সদস্যদের তালিকা হলো— ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ওসমান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট মেহেদী হাসান, অ্যাডভোকেট এ এম জামিউল হক ফয়সাল এবং অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির রিপন। হাইকোর্ট এই আইনজীবীদের আপিল প্রক্রিয়ায় বিশেষ করে নারী-শিশু নির্যাতন মামলাগুলো হালনাহল করার জন্য নির্বাচন করেছেন। এই বেঞ্চ শুধু মৃত্যুদণ্ডাদেশ কনফারমেশনের রেফারেন্স মামলা নয়, বরং সেই রায় থেকে উদ্ভূত সব ফৌজদারি আপিল ও জেল আপিল শুনানি করবে। বিচারপতি চৌধুরী বলেন, এই প্যানেল দ্বারা মামলার বিশ্লেষণ এবং তদন্তে দ্রুত কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা হবে।
“মানুষের যে উদ্বেগ আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর অপেক্ষার কারণে হাইকোর্ট শুনানি প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে। সেই কারণে হাইকোর্ট নতুন বেঞ্চ গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই প্যানেল দ্বারা নারী ও শিশু নির্যাতনে সঠিক বিচার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে আপিল প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।”
বিশেষ বেঞ্চের শুনানি কাজের বিস্তারিত তথ্য
হাইকোর্টের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিশেষ বেঞ্চটি নারী-শিশু নির্যাতন দমন আইন সংক্রান্ত মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রক্রিয়ায় আপিল করতে চলছে। মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর নির্যাতনে আপিল হাইকোর্টে স্থানান্তরিত হয়েছে। এই আপিলগুলো শুনানির সময় কোর্টের কাছে আপীল ক