গরমে নতুন এসি কিনবেন? যেসব বিষয় দেখে নিলে ঠকবেন না
গরম নত ন এস ক নব ন – গরম সময়ে ঠান্ডা পেতে বেশিরভাগ মানুষ এসি কিনার বিষয়টি আলোচনা করেন। কিন্তু বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ড, মডেল এবং ফিচারের মধ্যে সঠিক পছন্দ করা কঠিন হতে পারে। এসি কেনার আগে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখার প্রয়োজন আছে, যার কারণে বিদ্যুৎ বিল, কুলিং পারফরম্যান্স এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ হতে পারে বেশি।
নিজের ঘরের আয়তন পরিমাপ করে সঠিক টনের এসি বাছাই করুন। ছোট জায়গায় বেশি টনের মডেল ব্যবহার করলে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হতে পারে। উল্টো দিকে বড় ঘরে কম টনের এসি বসালে কুলিং প্রক্রিয়ায় অসুবিধা হতে পারে। সাধারণ ধরনের রুম সাইজের জন্য নিম্নলিখিত সংখ্যাগুলি প্রয়োগ করা যেতে পারে: ১০০-১২০ বর্গফুট জন্য ১ টন, ১২০-১৮০ বর্গফুট জন্য ১.৫ টন, এবং ১৮০-২৫০ বর্গফুট জন্য ২ টন। সঠিক টন নির্বাচন করলে দ্রুত কুলিং পাওয়া যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কম হয়।
বর্তমানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ইনভার্টার প্রযুক্তির এসি বেশি জনপ্রিয়। এই সিস্টেমটি কম্প্রেসরের গতি নিয়ন্ত্রণ করে বারবার চালু-বন্ধ হতে হয় না। এর ফলে প্রাথমিক দাম কিছুটা বেশি হলেও দীর্ঘমেয়াদে বেশি লাভজনক। এসি কেনার সময় এনার্জি রেটিং বিবেচনা করুন। উচ্চ রেটিংয়ের মডেল কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে এবং দীর্ঘ সময়ে খরচ কম হয়।
আধুনিক এসিতে কপার কনডেনসার ব্যবহার করা হয়। এটি দ্রুত তাপ বিনিময় করে এবং পারফরম্যান্স দীর্ঘদিন ধরে চালানো যেতে পারে। রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের ক্ষেত্রেও এটি সুবিধাজনক। বর্তমান এসিগুলোতে স্মার্টফোন কন্ট্রোল, ওয়াই-ফাই, সেলফ-ক্লিনিং, এয়ার পিউরিফিকেশন, স্লিপ মোড এবং টার্বো কুলিং সহ নানা ফিচার পাওয়া যায়। যেমন স্মার্টফোন কন্ট্রোল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ খরচ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
এসি কেনার সময় শুধু দাম বা ব্র্যান্ডের দিকে তাকালে চলবে না। কুলিং পারফরম্যান্স এবং বিদ্যুৎ খরচ নিয়ন্ত্রণে ঘরের আয়তন, ইনভার্টার প্রযুক্তি, স্টার রেটিং, কনডেনসারের ধরন এবং বিক্রয়োত্তর সেবা বিবেচনায় নিলে আরামদায়ক ঠান্ডা পেতে সাথে বিদ্যুৎ বিলও নিয়ন্ত্রণে আসে। যাচাই করুন আপনার এলাকায় সার্ভিস সেন্টার আছে কি, কত বছরের কম্প্রেসর ওয়ারেন্টি পাবেন এবং খুচরা যন্ত্রাংশ সহজলভ্য কি।