Economy

দূষণ নিয়ন্ত্রণে ১০টি আধুনিক যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে

5df55862-541e-4662-b1ed-d359600a6a96-0

বাংলাদেশে দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি: নতুন আধুনিক যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্রের উদ্যোগ

Bangladailypost.com – দ ষণ ন য়ন ত রণ ১০ট – বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এর মাধ্যমে দূষণ নিয়ন্ত্রণের আওতায় আগামী অর্থবছরে কেন্দ্রীয় সরকার বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো দুইটি আধুনিক যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব পেশ করেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। মন্ত্রী ঘোষণা করেন যে দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রকল্প গ্রহণের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম বাজেটে নিয়োগ করা হবে, যার মধ্যে আধুনিক যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র স্থাপন একটি প্রধান পয়েন্ট হিসেবে উঠে আসে। তিনি জানান যে সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ রোধের জন্য নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং সেগুলো সম্পূর্ণ ভাবে সংসদ সদস্যদের অনুমোদন পেয়েছে। এই প্রস্তাব সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে যে দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে প্রগতি ঘটছে।

যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্রের অর্থ ও কাজ

অর্থমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে বিআরটিএ কর্তৃক নতুন আধুনিক যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র স্থাপনের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সামাজিক ও বৈজ্ঞানিক বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করে এই প্রকল্প সম্পন্ন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দূষণ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব বোঝা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলি গাড়ি, বাস, বাইক ও অন্যান্য যানবাহনের পরিদর্শন করবে এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য আধুনিক তথ্য প্রদান করবে। একটি বাংলাদেশি আধুনিক যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া ত্তীব্র হবে। কেন্দ্রগুলি সম্পূর্ণ ভাবে ক্ষমতার ক্ষেত্রে মানদণ্ড মেনে চলবে এবং সামগ্রিক পরিবেশ সুরক্ষার জন্য সরকারের নীতি তৈরি করবে।

বায়ু দূষণ কমানোর জন্য নতুন ব্যবস্থা

বাংলাদেশে বায়ু দূষণ কমানোর জন্য ক্যামস এবং সি-ক্যামস নির্মাণ করা হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন যে সার্ভিস চালু করার মাধ্যমে দূষণ নিয়ন্ত্রণ তৈরি করা হবে। তিনি ঘোষণা করেন যে প্রতিমাসে দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প ক্রমাগত চালু করা হবে। এই ক্যামস বা সি-ক্যামস নির্মাণে সামগ্রিক গ্রাস করা হয়েছে। এই বিধিমালা বাস্তবায়নের পরিণতি দেখার জন্য বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে। আর দূষণ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম অনুসারে নতুন গাইডলাইন ও বিধিমালা প্রণয়ন করা হবে।

প্রতিশ্রুতির পারদর্শিতা ও আগামী প্রকল্প

আগামী অর্থবছরে দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। অর্থমন্ত্রী মন্তব্য করেন যে দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অধীনে বিশেষ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এই ট্রাস্ট দূষণ নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়ায় বিশেষ ভূমিকা পালন করবে এবং আগামী দুই বছরে নতুন প্রস্তাব দেখার জন্য নির্দেশ দেওয়া

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *