সার বিক্রেতাদের ভ্যাট, কীটনাশক আমদানিতে আগাম কর অব্যাহতি
স র ব ক র ত দ – বাংলাদেশের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রস্তাব দেন একটি নতুন আর্থিক ব্যবস্থা যেটি সার বিক্রেতাদের ভ্যাট ও কীটনাশক আমদানি কর প্রসঙ্গে আগাম কর অব্যাহতি দেয়। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) প্রকাশিত বাজেটে সার বিক্রেতাদের উপর ব্যাপক আর্থিক বোঝা হ্রাস করার উদ্দেশ্যে পরিবর্তন করা হয়েছে। বিশেষত, সার বিক্রেতাদের ক্ষেত্রে বর্তমান ভ্যাট পরিমাণ থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কীটনাশক আমদানি কর প্রসঙ্গেও একটি আগাম কর অব্যাহতির প্রস্তাব রয়েছে। এই পরিবর্তনগুলি কৃষি খাতে অর্থনীতির প্রবাহ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
বাজেটে সার বিক্রেতাদের কর বৃদ্ধি হ্রাসের মূল প্রস্তাব
অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তব্যে ঘোষণা করেন যে আগামী অর্থবছরের জন্য কৃষি খাতে প্রযোজ্য কর বৃদ্ধি কমানো হবে। বর্তমান বাজেটে সার বিক্রেতাদের উপর প্রযোজ্য ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট সম্পূর্ণ অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। কীটনাশক আমদানিতে প্রযোজ্য আগাম কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে যা বিশেষ করে কৃষি খাতের উৎপাদন বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত হয়েছে। কৃষি খাতে সার বিক্রেতাদের উপর আর্থিক ভার কমানো সার্থক হবে যেহেতু এটি কৃষি উৎপাদনের দ্রুততা ও গুণমান প্রভাবিত করতে পারে।
সার বিক্রেতাদের কর অব্যাহতি বাজেটে কী করে প্রযোজ্য হবে?
সার বিক্রেতাদের উপর প্রযোজ্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রদানের প্রস্তাব করছি যেটি একটি গুরুতর আর্থিক সাধনা হিসাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া কীটনাশক আমদানি কর প্রসঙ্গেও একটি আগাম কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কৃষি খাত বৃদ্ধি করতে সার বিক্রেতাদের উপর কর বৃদ্ধি হ্রাস করা হয়েছে যেহেতু সার বিক্রেতাদের ক্ষেত্রে আর্থিক ভার হ্রাস করা সার্থক হবে।
এই কর অব্যাহতির ফলে কৃষি খাতে অর্থ বৃদ্ধি হবে। সার বিক্রেতাদের উপর ভ্যাট কমানো হয়েছে যেহেতু সার বিক্রেতাদের জন্য আগাম কর কমানো সেন্সার দেওয়া হয়েছে। কৃষি খাতে কীটনাশক আমদানি কর অব্যাহতির ফলে আগাম কর হ্রাস করা হয়েছে। এটি কৃষি খাতের প্রবাহ বৃদ্ধি করার উদ্দেশ্যে