পাবনায় দুই মানুষের প্রাণহারা, ঘটনা দুটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঘটেছে
প বন য় ছ ল র স – পাবনা শহরে দুই হত্যার ঘটনা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ঘটেছে। প্রথম ঘটনাটি সোমবার (৮ জুন) বিকেলে বাস টার্মিনাল এলাকায় ঘটে। এখানে একজন কলেজ ছাত্র মনিরুল ইসলাম ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারায়। তার পরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাসুম বাজার এলাকার জামেয়া আশরাফিয়া মাদরাসার প্রধান ফটকের সামনে আরেকটি হত্যার ঘটনা ঘটে। সেখানে চরমপন্থি দলের সদস্য আলী হোসেন গুলি করে মৃত্যুবরণ করেন।
আলী হোসেন সদর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ এলাকায় বাস করতেন। তিনি নকশাল দলের সদস্য বলে পুলিশ ঘোষণা করেছেন। তাঁর ছেলে সদর উপজেলার স্থানীয় মাদরাসায় পড়াশোনা করতেন। সন্ধ্যার দিকে রিকশায় করে ছেলেকে মাদরাসায় নামিয়ে দিতে এসেছিলেন তিনি। তখন দুটি মোটরসাইকেল চালানো চার যুবক তাঁকে গুলি করে হত্যা করে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসায় পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপর ঘটনায় মনিরুল ইসলাম সাঁথিয়া থানার শিবরামপুর পশ্চিমপাড়ায় বাস করতেন। তিনি রাকিবের মধ্যে ঝামেলা বাধে। সেসময় রাকিব ছুরিকাঘাতে মনিরুলকে আঘাত করে তাকে পাম্পের পেছনে কচুরিপানা আচ্ছাদিত পুকুরে লুকিয়ে পড়ে। পুলিশ তাকে আটক করে। মনিরুল উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী
পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় কুমার সাহা বলেন, “আলী হোসেন নকশালদের সঙ্গে চলাফেরা করতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে কলেজছাত্র মনিরুল হত্যার কারণ এখনো অস্পষ্ট। উভয় ঘটনায় পুলিশ তদন্ন চালিয়ে যাচ্ছে। কারণগুলো স্পষ্ট হওয়ার জন্য আরও তদন্ন চালিত হবে বলে জানান তিনি।”
অভিযুক্ত রাকিব একই এলাকার আলম হুজুরের ছেলে। তিনি কলেজছাত্র মনিরুল ইসলামকে ছুরিকাঘাতে জখম করে পাম্পের পেছনে লুকিয়ে পড়েন। পুলিশ তাকে আটক করে গৃহীত করেছে। ঘটনা দুটি পৃথক সময়ে ঘটেছে কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই ঘটনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করার জন্য তদন্ন চলছে।