News

সুন্দরবনে বনদস্যুদের সঙ্গে কোস্টগার্ডের বন্দুকযুদ্ধ, আটক ৩

সুন্দরবনে কোস্টগার্ড ও বনদস্যুদের মধ্যে সংঘর্ষ, তিন আটক স ন দরবন বনদস য দ র - সুন্দরবন বনদস্যুদের সঙ্গে কোস্টগার্ডের বন্দুকযুদ্ধের খবর শুক্রবার (১৫ মে) সকালে

Desk News
Published May 15, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

সুন্দরবনে কোস্টগার্ড ও বনদস্যুদের মধ্যে সংঘর্ষ, তিন আটক

স ন দরবন বনদস য দ র – সুন্দরবন বনদস্যুদের সঙ্গে কোস্টগার্ডের বন্দুকযুদ্ধের খবর শুক্রবার (১৫ মে) সকালে কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন ঘোষণা করেন। সুন্দরবনে করিম-শরীফ বাহিনীর সদস্যদের অবস্থান নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ড সদস্যরা বুধবার বিকেল থেকে দুই দিন ধরে ঐ এলাকায় আক্রমণ চালিয়েছে। যখন দস্যুদের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলিবর্ষণ শুরু করে তখন কোস্টগার্ডও প্রতিরোধের জন্য পাল্টা গুলি চালায়। ফলে করিম-শরীফ বাহিনীর সদস্যরা পরাজিত হয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর তিন ব্যক্তি আটক করা হয়। সুন্দরবন বনদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযানের এই পরিচয় দেয় সেখানে সামরিক কার্যকলাপের গুরুত্ব।

আটক করা ব্যক্তিদের বিবরণ

আটক করা ব্যক্তিদের নাম হলো— মো. মেহেদী হাসান (২৫), মো. রমজান শরীফ (১৯) এবং মো. এনায়েত (২৫)। তিনজন বনদস্যু করিম-শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে ডাকাতি, জেলে ও বাওয়ালীদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের কাজে জড়িত ছিল বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে। এ খবরে সুন্দরবনে বনদস্যুদের বিরুদ্ধে কোস্টগার্ডের যৌথ কাজ বর্ণিত হয়। সুন্দরবন প্রাকৃতিক অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত, যেখানে বনদস্যু করিম-শরীফ বাহিনীর সদস্যরা মূল্যবান জীব ও গৃহ চুরির জন্য বিশেষ আক্রমণ চালায়। অভিযানের ফলে সেই বাহিনীর কাছ থেকে নানা সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে এবং এ ঘটনা সুন্দরবন বনদস্যুদের বিরুদ্ধে সামগ্রিক অভিযানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

উদ্ধার করা সামগ্রী ও অভিযানের প্রভাব

অভিযানের ফলে দস্যুদের কাছ থেকে আটক করা হয়েছে ৩টি একনলা বন্দুক, ১টি দেশীয় পিস্তল, ৪৯ রাউন্ড তাঁজা গুলি এবং ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি। সংগ্রহ করা হয়েছে আরো ২টি ওয়াকিটকি ও ৪টি ওয়াকিটকি চার্জার। এ সামগ্রী বর্তমান কার্যকলাপের বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুন্দরবনে করিম-শরীফ বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার দায়িত্ব কোস্টগার্ড এবং বন বিভাগের মধ্যে সমন্বয়ে সম্পন্ন হয়। এই প্রক্রিয়া কার্যত সুন্দরবন বনদস্যুদের প্রতিরোধে সম্পূর্ণ নতুন আশার সূত্র স্থাপন করেছে।

গত ১৩ মে কোস্টগার্ড বন বিভাগের সহযোগিতায় করিম-শরীফ বাহিনীর বিরুদ্ধে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করেছিল। এখনও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। সুন্দরবন বনদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতে তা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড। এই অভিযানে সুন্দরবনে বনদস্যুদের সংখ্যা কমিয়ে আটক ব্যক্তিদের সম্মুখীন হওয়া কঠিন করে তোলার উদ্দেশ্য রয

Leave a Comment