যাত্রাবাড়ীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১৪ জন
য ত র ব ড় ত প – যাত্রাবাড়ীতে অপরাধ বিপর্যয় বিস্তার প্রতি সচেতন পুলিশ সংস্থার নতুন করে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে গতকাল শনিবার সাতটি গৃহ হত্যা ও বিশেষ করে পুশ-ইন কেন্দ্রিক অপরাধে জড়িত ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যাত্রাবাড়ী এলাকায় গত কয়েক মাসে বেশ কয়েকটি গৃহ হত্যা ঘটার পর পুলিশ বিশেষ করে তালাম নির্মূল ও নিরাপত্তা বিষয়ে কাজ করছে। অভিযানের প্রধান লক্ষ্য ছিল এলাকার বিশেষ করে সম্ভাব্য পুশ-ইন বিষয়ে জড়িত অপরাধীদের আদিবাসী থেকে বিচ্ছিন্ন করা। সংবাদ জানান রাজধানী মহানগর পুলিশের মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন।
অভিযানের বিস্তারিত তথ্য
যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ বাহিনী গতকাল সকালে প্রাতঃকালীন ঘটনার পর এলাকায় নতুন করে একটি বিশেষ অভিযান ঘোষণা করে। অভিযানের প্রধান লক্ষ্য ছিল নিয়মিত ভাবে সম্পাদিত অপরাধ বিষয়ে সাক্ষীদের আদিবাসী থেকে বিচ্ছিন্ন করা এবং ঘটনার সম্পূর্ণ তদন্বন করা। পুলিশ বাহিনী যাত্রাবাড়ী এলাকার চারপাশে ঘূরে দেখা এবং অপরাধীদের নিরাপত্তা বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য বিশেষ বাহিনী গঠন করে। অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল যাত্রাবাড়ীতে অপরাধের নেতৃত্ব দিয়েছে সামাজিক অস্থিতিশীলতা দূর করা।
যাত্রাবাড়ীতে অপরাধের প্রকৃতি
অভিযানের সময় পুলিশ বাহিনী ঘটনার পর যাত্রাবাড়ী এলাকার বিভিন্ন গ্রামে গৃহ হত্যা এবং অপরাধ বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে যায়। একটি পুশ-ইন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা বিষয়ে তালিকা তৈরি করে দেখা হয়। পুলিশের একটি বিশেষ অভিযান যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ করে ছয় শিশু বালিকার পরিবারে একটি অপরাধ ঘটনার কারণে তালিকাটি তৈরি করা হয়েছে। গত কয়েকটি মাসে যাত্রাবাড়ীতে প্রায় পাঁচ শত ঘটনা ঘটেছে। তবে এই অভিযানের সময় সবগুলি ঘটনা প্রতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী থানার বরাত দিয়ে এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল নিয়মিত ভাবে সম্পাদিত যাত্রাবাড়ীতে অপরাধ প্রতি কার্যকর বিচ্ছিন্ন করা। যাত্রাবাড়ীতে বিজিবি আদ-দ্বীন সীমান্ত হত্যা ঘটনা এবং পুশ-ইন প্রক্রিয়ার পর প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করা হয়েছে। যাত্রাবাড়ীতে নিয়মিত ভাবে অপরাধ ঘটেছে, যার মূল কারণ ছিল এলাকার মানুষের মধ্যে বিশেষ করে যাত্রাবাড়ীতে অপরাধের প্রবণতা।
গ্রেফতার করা হয়েছে নিম্নে উল্লেখিত ব্যক্তিদের- মো. আলাউদ্দিন (৩১), মো. লিমন (৩০), মো. ইয়াসিন (৩০), মো. তারেক (২২