পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় আজ ঘোষণা হবে
পল লব র স ই শ শ – রাজধানী ঢাকার পল্লবীতে গত ১৯ মে শিশুটির নিজ বাসার পাশের ফ্ল্যাটে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয় দ্বিতীয় শ্রেণির একটি শিক্ষার্থী। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়ায় এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়। পুলিশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৩০২ ও ২০১ ধারায় মামলা দায়ের করে। এ মামলার রায় আজ রোববার (৭ জুন) ঘোষণা করা হবে এবং বিচারক মাসরুর সালেকীন পল লব র স ই শ মামলার রায় নেবেন।
নিকট আসামির আটক এবং তদন্ত প্রক্রিয়া
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী ঘটনার দিনই প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরবর্তী দিন শিশুটির বাবার সহায়তায় ফরেনসিক আলামত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয়। ঘটনার পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় তদন্ত কর্মকর্তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এই তদন্ত দ্বারা পল লব র স ই শ মামলার অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয়।
বিচার প্রক্রিয়া এবং আসামিপক্ষের দাবি
বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয় গত ১ জুন। যুক্তিতর্ক শুনানির সময় আসামি সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তার আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি জানান। তাদের পক্ষে আইনজীবী যুক্তি দাবি করেন যে আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাত বছরের দণ্ডের আবেদন জানান। এ মামলার আসামিপক্ষের প্রতিবেদন দ্বারা পল লব র স ই শ ঘটনার সত্যতা সুনির্দিষ্ট হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিবেশী দাবি করেন যে সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং ডিএনএ রিপোর্ট দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তকারীদের মতে পল লব র স ই শ মামলার প্রমাণগুলি যথেষ্ট শক্তিশালী। বিচারক এই প্রমাণগুলি বিশ্লেষণ করে রায় আদালতে প্রদান করবেন।
পল লব র স ই শ ঘটনার পর বিশেষ মন্তব্য করা হয় এবং সামাজিক মাধ্যমে এ বিষয়ে আলোচনা চালানো হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন অনুযায়ী পল লব র স ই শ মামলার জন্য নির্দিষ্ট ধারাগুলি প্রযোজ্য। যুক্তি প্রমাণের পর বিচারক এ মামলার সারাংশ জানান এবং রায় প্রদানের জন্য সময় নির্ধারণ করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের দাবি অনুযায়ী পল লব র স ই শ মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার সত্যতা প্রমাণ করতে ডিএনএ রিপোর্ট ও ফরেনসিক আলামত ব্যবহার করা হয়। এ বিষয়ে সামাজিক আন্দোলনের প্রভাব চালু রয়েছে এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের প্রয়োগ করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার এক গুরুতর ঘটনার পর পল লব র স ই শ মামলার নির্ধারণ �