বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে রাখার দাবি জানায়
ব প স র প রধ ন – বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে রাখার দাবি জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম করেন। শনিবার (৬ জুন) সকালে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। নজরুল ইসলাম বলেন, বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় সরিয়ে নেওয়া চট্টগ্রামের জনমনে তীব্র উদ্বেগ তৈরি করেছে।
বিপিসির প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের বিরোধিতা
নজরুল ইসলাম বিবৃতিতে জানান, চট্টগ্রামে জয়পাহাড় এলাকায় নতুন ভবনে বিপিসির কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে রাখা হয়েছে জ্বালানি খাতের স্থিতিশীল পরিচালনার জন্য। তিনি আরও বলেন, ঢাকার লিয়াজোঁ অফিস বহাল রাখা উচিত এবং প্রশাসনিক কাজের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা বিবেচনায় বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে রাখার দাবি আরও দৃঢ় করে তোলে।
নজরুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি এবং দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর অবস্থিত। এ অবস্থায় বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় স্থানান্তরের কোনো যৌক্তিকতা নেই। চট্টগ্রামের অবস্থানে জ্বালানি খাতের আমদানি, সংরক্ষণ, পরিশোধন ও সরবরাহ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
বিপিসি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জ্বালানি খাতের সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রম চট্টগ্রামে পরিচালিত হচ্ছে। এ কার্যালয় বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে রাখা হয়েছে স্থায়ী প্রতিষ্ঠার জন্য। নিয়ন্ত্রণ কাঠামো পরিবর্তন করা হলে সমন্বয়হীনতার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় সরিয়ে নেওয়া দ্বারা দেশের সুষম উন্নয়নের স্বার্থে স্থবিরতা সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
জ্বালানি খাতের অবস্থা এবং তার প্রতিবেদন
বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে অবস্থিত কারণ জ্বালানি খাতের স্থায়ী প্রতিষ্ঠানগুলো এখানে প্রায় শেষ পর্যায় পৌঁছেছে। আমির নজরুল ইসলাম বলেন, দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি চট্টগ্রামে অবস্থিত। তাই বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে রাখা হয়েছে সামগ্রিক পরিচালনার জন্য। প্রতিষ্ঠিত ব্যবস্থার সাথে বিপিসির প্রধান কার্যালয় ঢাকায় সরিয়ে নেওয়া দ্বারা স্থায়িত্বের সম্ভাবনা কমে যাবে।
জ্বালানি খাতের সংস্থাগুলো চট্টগ্রামে কার্যক্রম চালানো হয়েছে বিপিসির প্রধান কার্যালয় চট্টগ্রামে রাখা হয়েছে সমন্বয়