জনগণ আরও বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা
জনব ন ধব ব জ ট ন – নতুনধারা বাংলাদেশ (এনডিবি) আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা জনবান্ধব বাজেট অনুপস্থিত হলে জনগণের বিক্ষুব্ধতা বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য করেন। আলোচনাটি শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনডিবি চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেইলি নিউ নেশনের উপদেষ্টা সম্পাদক সৈয়দ তোশারফ আলী। অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে বাংলাদেশ তরিকত-এ ইসলামের চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মঈনুদ্দীন টিপু, এনডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, কাজী মুন্নি আলম, ডা. নূরজাহান নীরা, মনির জামান, ওয়াজেদ রানা, আল আমিন বৈরাগী, হরিদাস সরকার, শহিদুল ইসলাম রতন, তৌহিদুল ইসলাম শাহীন নূরী, হুমায়ুন কবির জীবন, আফতাব মন্ডল, জাতীয় শ্রমিকধারার আহবায়ক বাবুল মিয়া ও আলেয়া বেগম আলো।
সত্য হলেও গত ৫৫ বছরের বাজেটগুলি জনগণের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, ধর্ম, মানবতা বা সভ্যতার প্রতি বিনিময়ে কেবল আমলাদের সাথে সর্বস্তরের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ীদের অসৎ কর্মকাণ্ডের কারণে স্বাস্থ্য-শিক্ষা-খাদ্য-ধর্ম-মানবতা বা সভ্যতাবান্ধব হয়নি।
বক্তারা মন্তব্য করেন যে স্বাধীনতার পর থেকে প্রতারণার শিকারি হয়েছে বাংলাদেশ। সেই প্রতারণা এবং লুটেরা শ্রেণির কারণে আমরা রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারা এবং সমাজের বিভিন্ন তলায় নির্মম কর্মকাণ্ডে জনগণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারা রাজনৈতি, শিক্ষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, কূটনীতি, ধর্ম এবং অর্থনীতির চুরি করে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে হীনস্বার্থ চরিতার্থ করেছে বলে দাবি করেন।
অনুষ্ঠানের সভাপতি মোমিন মেহেদী বলেন, “২২ পরিবারের হাত থেকে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যে আমলাদের গাড়ি, বাড়ি, কাড়ি কাড়ি টাকা করার নেশায় শিক্ষা ধ্বংস হয়েছে আমাদের, তাদের সন্তানরা উন্নত বিশ্বের দেশে পড়ালেখা করছে। আমাদের সমাজ ধ্বংস হয়েছে, তাদের সন্তানরা বাড়ি করছে দেশের বাইরে। মাদকে সয়লাব হয়েছে বাংলাদেশ, তারা পুরো পরিবারকে উন্নত দেশগুলোতে সেটেল করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “সেই ষড়যন্ত্রে কারণে আজ বন্দর, সেন্টমার্টিন এমনকি বাণিজ্য খাতটা পর্যন্ত �