তিন কোটি টাকা চাঁদা দাবির হামলা হান্নানের বিরুদ্ধে
৩ ক ট ট ক র ড – তিন কোটি টাকার ডিল সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করে ছাত্রদল নেতা আবদুল গাফফার নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন। ঘটনার সংঘটন হয় সোমবার (৪ জুন) রাতে হাতিয়া উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ওয়ার্ড ৮ নম্বর পশ্চিম বড়দেইল গ্রামে। অভিযোগ সম্পর্কে তথ্য ফাঁস করে গাফফার জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রদল আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
ছাত্রদল নেতার প্রতিবাদ ও হান্নানের প্রতিক্রিয়া
গাফফার সাজানো ডিল নিয়ে তথ্য প্রকাশের পর হান্নান মাসউদ তার অনুসারীদের মাধ্যমে তাকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে তিনি জানান, তিন কোটি টাকা দাবি করা হয়েছে ও তার প্রতিবাদ করা হয়েছে। যারা হুমকি দিয়েছেন তারাই হামলার জনক বলে তিনি অভিহিত করেন। বর্তমানে তাঁর সাথে একটি কর্মকর্তা ও বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন পরিকল্পনা করেছেন যাতে আবদুল হান্নান মাসউদ সেই অভিযোগের বিষয়ে অবহিত হন।
তিনি আরও বলেন, হান্নান মাসউদের অনুসারীরা আমাকে হুমকি দিয়েছেন যাতে আমি তিন কোটি টাকা দাবি করতে হবে। তারা আমার পরিবার ও সম্পত্তি বিরোধীতা করেছে। সেই মুহূর্তে আমি বাধা দিয়েছিলাম, কিন্তু তারা আমার ওপর হামলা করে দেয়।
হামলার পরিস্থিতি ও স্থানীয় বিষয়গুলো
হাতিয়া উপজেলার ছাত্রদলের আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ ঘটনার পরিচয় দিয়ে জানান, গত দুই দিন ধরে হামলার পূর্বে তাঁরা গাফফারকে হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেন, হান্নান মাসউদের কর্মকর্তারা নিজেদের দাবি পূরণের জন্য গাফফারকে হামলা করেছে। স্থানীয় এমপি ফোনে তথ্য পাঠানোর পর তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেন।
তিনি আরও জানান, এ হামলার ফলে গাফফার তার পরিবারের বিরুদ্ধে আরও তীব্র অভিযোগ করছেন। এ ঘটনার পর হান্নান মাসউদ নিজেকে আরও বেশি ক্ষিপ্ত করেছেন। তিনি বলেন, যে কারণে আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে তারা আমার দাবি সম্পর্কে বিশ্বাস করে না।
হামলার সময় গাফফারের বাড়িতে তীব্র বিতর্ক বিস্তার করে স্থানীয় নেতারা তাকে বিচ্ছু করে দেয়। এ ঘটনার পর তিনি তার পরিবার ও সম্পত্তি বিরোধীতা করার প্রতিশোধ নিতে চাইছেন। অভিযোগের প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি হান্নান মাসউদের কর্মকর্তাদের নিন্দা করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, তিন কোটি টাকার ডিল নিয়ে তার কোনও প্রমাণ নেই। এ জন্য তিনি হান্নান মাসউদকে সম্পূর্ণ দায়ী করেছেন।
এ অভিযোগের প্রমাণ হিসেবে তিনি বলেন যে হান্নান মাসউদ পূর্বে চাঁদা দাবি করেছিলেন এবং সেই ডিল তৈরি করেছেন। তিন কোটি ট