সিরাজগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কে ৫ কিমি যানজট
স র জগঞ জ ঢ ক মহ – সিরাজগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কে দুর্ঘটনার ফলে সোমবার (৫ জুন) রাতে যমুনা সেতুর পশ্চিম পার্শ্বে প্রায় ৫ কিমি দীর্ঘ যানজট দেখা দিয়েছে। এই অঞ্চলে যানবাহনের চাপ প্রায় দুই গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মহাসড়ক ব্যবহারকারীদের সম্পূর্ণ জটিলতা অনুভব করতে হয়েছে। যানজটের কারণ হল দুর্ঘটনার কারণে যানবাহনগুলো সরানো সময় প্রয়োজন হয়েছে এবং সে কারণে প্রবাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এই সড়কটি সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকার মহানগরী পর্যন্ত গুরুতর গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এটি বন্ধ হওয়ার ফলে মহাসড়কের উপর যানবাহনের গতিবেগ কমে গিয়েছে।
যানবাহন চালক ও যাত্রীদের অভিজ্ঞতা
যানবাহন চালক ও যাত্রীদের মতে, সেতুতে ঘটেছে দুর্ঘটনা এবং বিকল হওয়া গাড়িগুলো সরানো সময় নেয়। ফলে সড়কে চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে।
সিরাজগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কে প্রায় সোমবার রাতে যানজট বৃদ্ধি পেয়েছে যা সরাসরি অ্যাফেক্ট করেছে চারপাশের গ্রামাঞ্চল ও শহরগুলো। বিকাল সোয়া ১১টার পর প্রায় তিনটি বিকল গাড়ি প্রত্যাবর্তন করা হয়েছে এবং এই মহাসড়কে যান চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে সিরাজগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা কোনও নতুন মহাসড়কের গুরুতর নীতি বা পরিকল্পনা করেছেন কিনা তা পর্যন্ত অজানা।
যানজটের বিস্তার এবং কারণ
সিরাজগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কে যানজট যমুনা সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়কে চালু হয়েছে যা সড়কের গুরুতর চাপ বৃদ্ধি করে। যানবাহন চালকদের অনুযায়ী এই অঞ্চলে দুর্ঘটনা ঘটার পর প্রায় দুই ঘণ্টা সময় নেয় যানবাহনগুলো প্রত্যাবর্তন করা। সিস্টেম ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তুষ্টি ছড়িয়ে পড়েছে এবং কিছু মানুষ বলেন এই মহাসড়কের বর্তমান গড়ন মারাত্মক দুর্বলতা দেখায়।
নির্বাহী প্রকৌশলীর বিবরণ
যমুনা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, গাড়ি বিকল ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে সিরাজগঞ্জ অংশে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজট নিরসনে কাজ চলছে।
তিনি বলেন এই ধরনের দুর্ঘটনা প্রতি মাসে ঘটে এবং সিরাজগঞ্জ-ঢাকা মহাসড়কে যানবাহনের প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে প্�