News

বিশ্বের ‘সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন দেশ’ থেকে কী শিখতে পারে বাংলাদেশ?

বাংলাদেশ কী শিখতে পারে বিশ্বের ‘সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন দেশ’ থেকে? ব শ ব র সবচ য় পর - পরিবেশ সুরক্ষা এবং আর্থিক উন্নয়নের মধ্যে বিতর্ক বিশ্বজুড়ে তুঙ্গে চলার সময়।

Desk News
Published June 5, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

বাংলাদেশ কী শিখতে পারে বিশ্বের ‘সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন দেশ’ থেকে?

ব শ ব র সবচ য় পর – পরিবেশ সুরক্ষা এবং আর্থিক উন্নয়নের মধ্যে বিতর্ক বিশ্বজুড়ে তুঙ্গে চলার সময়। ইউরোপের একটি ছোট দেশ এস্তোনিয়া জলবায়ু পরিবর্তন পরিহার করে অবিশ্বাস্য সাফল্য অর্জন করেছে।

পরিবেশগত কর্মক্ষমতা সূচকে সবচেয়ে উন্নত দেশ

উত্তর-পূর্ব ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলের দেশ এস্তোনিয়া ২০২৪ সালে বিশ্বখ্যাত পরিবেশগত কর্মক্ষমতা সূচকে (ইপিআই) প্রথম স্থান অধিকার করে। ডেনমার্ক বা জার্মানির মতো পরাশক্তি রক্ষার বিষয়ে এ অবস্থা বিশ্বজুড়ে এক বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

২০২৪ সালের ইপিআই সূচকে এস্তোনিয়া বিশ্ব তালিকার চূড়ান্ত স্থানে রয়েছে। এ সাফল্যের পেছনে মূল ভূমিকা রয়েছে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণের নাটকীয় হ্রাস। ইপিআই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯৯০ সালের তুলনায় দেশটিতে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণ কমেছে ৬৬.৫ শতাংশ।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সর্বোচ্চ হার ছিল এস্তোনিয়া

ইউরোস্ট্যাটের সবশেষ ডেটার বিষয়ে, ২০২৩ সাল পর্যন্ত এস্তোনিয়া কমার হার ছিল ৭৩ শতাংশ। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণের মান ছিল। বায়ুর গুণগত মান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে তাদের স্কোর ছিল চোখে পড়ার মতো।

দেশটির অর্ধেকের বেশি ভূখণ্ড জুড়ে রয়েছে ঘন জঙ্গল। এগুলো কার্বন শোষণে কাজে লাগছে। এস্তোনিয়া ইউরোপের বনাঞ্চল থাকা দেশগুলোর মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। ফিনল্যান্ড, সুইডেন এবং স্লোভেনিয়ার পরেই এটি।

সরকারের সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি

১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা লাভের সময় এস্তোনিয়া পরিবেশ সুরক্ষা কেবল শিল্পকারখানা আধুনিকায়ন করে না, বরং পুরো দেশের অর্থনীতিকে সবুজ রূপান্তরের মাধ্যমে নিয়ে যায়। কয়লা ও তেল খনি অঞ্চলের শ্রমিকদের বিকল্প কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করছে জাস্ট ট্রানজিশন ফান্ডের মাধ্যমে।

গণপরিবহন বিষয়ে এস্তোনিয়া বিশ্বের প্রথম ইউরোপীয় রাজধানী হিসেবে পরিষ্কার গণপরিবহন সেবা চালু করে ২০১৩ সালে। ফলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার হার কমে যায়। ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশটির ৫৫ শতাংশ যাতায়াত সাইকেল, হাঁটা বা ইলেকট্রনিক গণপরিবহনের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।

ডিজিটাল বিপ্লব সহ সরকারি সেবা

ডিজিটাল বিপ্লব বা ‘ই-এস্তোনিয়া’ নামে কাগজের ব্যবহার শূন্যে নামিয়ে আনতে সরকারি সেবার প্রায় ৯৯ শতাংশ ডিজিটাল বা অনলাইনে পরিবর্তন করা হয়েছে। আমলাতান্ত্রিক কাজে নাগরিকদের সশরীরে যাতায়াত করতে হয় না।

ফলে লাখ লাখ টন কাগজের সাশ্রয় হচ্ছে এবং কার্বন নি�

Leave a Comment