নিখোঁজের ২ দিন পর ঘরের মেঝে খুঁড়ে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার, ছেলে পলাতক
ন খ জ র ২ দ ন – নিখোঁজের ২ দিন পর ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখা মারুফা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় তার বড় ছেলে জুয়েল মিয়া পলাতক ছিলেন। নিখোঁজ হওয়া ঘটনার প্রতিক্রিয়া নিয়ে তিনি অবিলম্বে থানায় পৌঁছেছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে মরদেহ খুঁড়ে পাওয়ার আগে তার মেঝেতে কোনও রক্ত স্রোত ছিল না কিন্তু ঘটনার সামনে রক্তের ধারণা দেখে সন্দেহ ছিল। মরদেহ উদ্ধারের পর তারা পরিস্থিতি তদন্ন করতে সক্ষম হন।
নিহতের ছোট ছেলের অভিযোগ
লাভিন মিয়া বলেন, মাকে নিখোঁজ হওয়ার দিন তার বড় ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে ঝগড়া হয়েছিল। সেই ঘটনার পর থেকে বড় ভাইয়ের স্ত্রী রাগে বাবার বাড়ি চলে যান এবং সেদিন থেকে মা নিখোঁজ ছিলেন। বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধারের পর তিনি আরও জানান, হত্যাকারী তার বড় ছেলে জুয়েল মিয়াই হয়েছেন।
নিখোঁজের ২ দিন পর পুলিশ বৃদ্ধার মরদেহ খুঁড়ে পাওয়ার পর তার পরিবার খুব কম্পিত হয়েছিলেন। মেঝে খুঁড়ে পাওয়া মারুফা বেগমের মৃতদেহ এখন ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন যে এ ঘটনার সামনে সাধারণ বাসার বাইরে রক্ত স্রোত ছিল। কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তারা ছোট ছেলের তথ্য ভিত্তিক করে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন। এ সময়ে তিনি মরদেহ উদ্ধারের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।
ঘটনার প্রাথমিক পরিস্থিতি
গত সোমবার থেকে মারুফা বেগম নিখোঁজ হওয়া ছিলেন। তিনি কিশোরগঞ্জ উপজেলার আশরাফ আলীর স্ত্রী এবং তিন সন্তানের জননী ছিলেন। এ ঘটনার প্রতিক্রিয়া নিয়ে তার ছোট ছেলে লাভিন মিয়া রক্ত স্রোত ও মেঝেতে ফাটল দেখে সূত্র দিয়েছিলেন। পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ন চালানো হয়েছিল। নিখোঁজের ২ দিন পর মরদেহ উদ্ধার করার পর বৃদ্ধা আরও দুই দিন পর তদন্তের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
নিখোঁজ ঘটনার পর পরিবারের সদস্যদের কোনও বিশেষ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর বড় ছেলে জুয়েল মিয়া পলাতক রয়েছেন। তিনি তদন্তের প্রক্রিয়া চলছে এবং গ্রেফতারের জন্য কাজ করছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে মেঝে খুঁড়ে বৃদ্ধার মৃতদেহ পাওয়ার পর তার গোটা পরিবারের প্রতিক্রিয়া জানা যায়।
বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনার সময় স্থানীয়দের মধ্যে আশ্চর্য ভাবে সমালোচনা ও অস্থিরতা দেখ