বিদ্যুৎ সাশ্রয় / চট্টগ্রামে হোটেল-রেস্তোরাঁয় কমেছে গ্রাহক, চাপে ব্যবসায়ীরা
ব দ য ৎ স শ রয় – সরকার সন্ধ্যা ৭টা থেকে দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়া শুরু হয়েছে। চট্টগ্রামে হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকলেও গ্রাহক সংখ্যা কমেছে। শপিংমল ও মার্কেট বন্ধ হওয়ার কারণে রাস্তাঘাটে লোকজনের আনাগোনা কমে গেছে।
চট্টগ্রাম হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির নেতা সৈয়দ ছগীর আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘৭টার মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করার বিষয়ে সরকার নির্দেশনা জারি করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো চাপাচাপি নেই। রেস্তোরাঁগুলোও চলছে।’
নগরীর হালিশহরের ব্যস্ততম বড়পোল এলাকার বড় রেস্তোরাঁ ডেক্সি ডাইনে প্রতিষ্ঠানটির মো. আলমগীর নামে এক ম্যানেজার বলেন, ‘আমাদের রেস্তোরাঁ রাত ১২টা পর্যন্ত চলে। পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো হয়রানি নেই। তবে ৭টার পর দোকানপাট বন্ধ হওয়ায় গ্রাহক সংখ্যা কিছুটা কমেছে।’
ক্ষতির মুখে সিলেটের ব্যবসায়ীরা সন্ধ্যায় হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ হলে ধস নামবে ব্যবসায় নগরীর মোমিন রোড এলাকার জনপ্রিয় খাবারের দোকান ‘হোটেল দস্তগীর’। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. মামুন বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে জাগো নিউজকে বলেন, ‘৭টার পরিবর্তে ৯টা করার জন্য আমরা সরকারকে একটি প্রস্তাব দেবো। দোকানপাট ও হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেই।’
তিনি বলেন, ‘লোকজন সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অফিস-আদালতে থাকেন। অফিস ছুটির পর বের হতে চাইলে দোকানপাট বন্ধ করার নির্দেশনা সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। এতে কেনাকাটা করতে পারবে না ব্যবসায়ীরা।’
চট্টগ্রাম দোকান মালিক সমিতির সভাপতি সৈয়দ খুরশিদ আলম বলেন, ‘আমাদের অনেক মার্কেট কোরবানির ঈদের পর খোলেনি। নিউমার্কেটও খুলবে শনিবার। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম চেম্বারে বৈঠক করেছি।’
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) জনসংযোগের দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ কমিশনার আমিনুর রশিদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘৭টার মধ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকানপাট বন্ধে সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। এটি বাস্তবায়ন করে জেলা প্রশাসন। সিএমপির পক্ষ থেকে কোনো পদক্ষেপ নেই। শুধু আইন শৃঙ্খলাজনিত বিষয়গুলো নজরদারি করা হয়।’