কে এই হিজাব পরে ড্রামসে ঝড় তোলা তরুণী?
ক এই হ জ ব পর ড – সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে একটি ভিডিও প্রচলন পেয়েছে। ভিডিওটি দেখায় হিজাব পরে ড্রামস বাজাচ্ছেন এক তরুণী। তার পার্শ্বে মুগ্ধ হয়েছেন অনেকে, আবার কেউ কেউ বিস্ময়ও প্রকাশ করেছেন। প্রশ্ন উঠেছে তার পরিচয় নিয়ে।
ভাইরাল হওয়া এই তরুণীর নাম নাজিয়া সামান্থা। তিনি সংগীত বিষয়ে তার ব্যক্তিগত পছন্দের কথা বলেন। ছোটবেলা থেকে পরিবারের সমর্থনে সংগীত সম্পর্কে তার সংযোগ সৃষ্টি হয়। তার বাবার হাত ধরেই শুরু হয় গিটার, ভায়োলিন ও ড্রামস শিখার প্রক্রিয়া।
‘মিউজিক লাইনে আসা আমার বাবার মাধ্যমে। ছোটবেলা থেকে বাবা আমাকে গিটার, ভায়োলিন, ড্রামস-সবকিছুই শিখিয়েছেন। এভাবেই সংগীতের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা তৈরি হয়েছে।’
হিজাব পরে ড্রামস বাজানো তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নাজিয়া বলেন, ড্রামস তার দীর্ঘদিনের ভালোবাসার জায়গা। তিনি আগে নাচ ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন, কিন্তু হজ পালনের পর সেগুলো ছেড়ে দিয়েছেন।
‘গত বছর আমি হজ করেছি। হজের আগে ড্যান্স করতাম, রিং ড্যান্সও করতাম। কিন্তু হজের পরে সেগুলো ছেড়ে দিয়েছি। ড্রামসের প্রতি আমার আলাদা একটা টান রয়েছে।’
ভাইরাল হওয়ার ঘটনাটি অপ্রত্যাশিত ছিল। তার ভাইয়ের ব্যান্ড ‘নবজাত’ এর একটি অনুষ্ঠানে হঠাৎ করেই ড্রামস বাজানোর সুযোগ পান তিনি। একজন শিক্ষক তাকে চিনতে পারেন এবং ড্রামস বাজাতে বলেন। তিনি মঞ্চে উঠে জ্যামিং শুরু করেন।
‘আমরা কয়েকজন বন্ধু একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। সেখানে একজন শিক্ষক আমাকে চিনতে পারেন এবং ড্রামস বাজাতে বলেন। আমি মঞ্চে উঠে জ্যামিং শুরু করি। পরে অন্যরা গান ধরেন, আমিও স্বাভাবিকভাবে বাজাতে থাকি। এরপর হঠাৎ করেই দেখি ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গেছে।’
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশংসা ও সমালোচনা উভয় রকম প্রতিক্রিয়া তার কাছে এসেছে। হিজাব পরে ড্রামস বাজানো নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা মন্তব্য আসে। তবে এসব নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না নাজিয়া।
তিনি বলেন, মানুষের মন্তব্য থাকবেই। তবে নিজের বিশ্বাস, মূল্যবোধ এবং ভালোবাসার জায়গা থেকে যা করছেন, তা নিয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী। সমর্থন ও ভালোবাসা দিয়ে থাকার কারণে তিনি আগের পর আগে সামনে এগিয়ে যেতে পারছেন।
এক সাধারণ জ্যামিং সেশন থেকে শুরু হ