ফ্রান্সের লেবানন প্রতিষ্ঠানগুলির বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টিকোণ
ল ব নন র ভব ষ যৎ – ফ্রান্স মধ্যপ্রাচ্যে স্থানীয় কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে লেবাননে নিজের প্রভাব বৃদ্ধির জন্য ক্রমাগত চেষ্টা চালাচ্ছে। বুধবার (৩ জুন) লেবাননের রাজধানী বৈরুতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে ফ্রান্সের বিশেষ দূত জঁ-ইভ ল্য দ্রিয়ানের। এই সফরে তিনি লেবাননের সেনাপ্রধান জেনারেল জোসেফ আউন, স্পিকার নাবিহ বেরি এবং প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালামের সঙ্গে আলোচনা করবেন। মূল বিষয় হলো দেশটির অর্থনৈতিক আক্রমণ, ইসরায়েলি আগ্রাসনে আহত এলাকায় মানবিক সহায়তা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ভবিষ্যৎ।
ট্রাম্প এবং লেবানন সংকট
আলোচনায় সেনাপ্রধান নাবিহ বেরি ও মার্কিন ইসরায়েলি হামলার পরিণতি প্রাসঙ্গিক। চলতি বছরের মার্চ মাসে তেহরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের প্রধান নেতা আলী খামেনি মারা যাওয়ার পর ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে রকেট হামলা শুরু করে। ইসরায়েল মার্চ থেকে ফের দখলদারত্ব চালিয়েছে। গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষ বৈরিতা বন্ধ করার চুক্তি করেছে, কিন্তু হামলা স্থানান্তরিত হয়নি। আহত ১০ হাজারের বেশি মানুষ এবং ৩৪১২ নিহতের পর লেবাননে তিন হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছে এবং ১০ লক্ষ বাসিন্দা স্থানান্তরিত হয়েছে।
গত সোমবার বৈরুত দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরায়েলের সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলা ঠেকাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হস্তক্ষেপ করেন। ট্রাম্পের সঙ্গে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ফোনে কথা বলেন। এর পরপরই ফরাসি নেতার ভূমিকাকে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ফ্রান্স ও লেবাননের সম্পর্ক শতাব্দী প্রাচীন। ঐতিহাসিক ভিত্তিতে এই সম্পর্কের মূল হলো খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক জোট। ফরাসি ম্যান্ডেট (১৯২০-১৯৪৩) এই সীমানা নির্ধারণ করেছিল এবং ফরাসি সংস্কৃতি ঘুরে বেড়ায় বৈরুতকে বলা হতো ‘মধ্যপ্রাচ্যের প্যারিস’।
২০২০ সালের বৈরুত বিস্ফোরণ
বৈরুত বন্দরে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর ম্যাক্রোঁ তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে আসেন এবং বড় ধরনের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেন, যা ফ্রান্সের একটি বড় অর্থনৈতিক স্বার্থ হিসেবে বিবেচিত হয়। বৈরুত বন্দর পরিচালনায় যুক্ত লজিস্টিক জায়ান্ট ‘সিএমএ সিজিএম’ এবং গ্যাস খুঁজছে ফরাসি কোম্পানি ‘টোটালএনার্জিস’ ফ্রান্সের মূল স্বার্থে জড়িত।
হিজবুল্লাহ এবং ইরানপন্থি দলগুলি ফ্রান্সের এই ভূমিকাকে নিরপেক্ষ কূটনৈতিক প্রক্রিয়া বলে মনে করে না। তারা এটিকে পশ্চিমা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হিসেবে দেখছে। এছাড়া তিনি জানান, ফ্রান্স চায় না লেবাননের সে