News

শাহজালালে ১৫০ হজযাত্রীর লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ, সত্য নয় দাবি বিমানের

439089c4-81c4-4e84-a998-0a5936733754-0

শাহজালালে হজ যাত্রীদের লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে, বিমানের দাবি সত্য নয়

অভিযোগের উৎপত্তি ও তদন্ত

Bangladailypost.com – শ হজ ল ল ১৫০ হজয ত – বুধবার (৩ জুন) হজযাত্রী মোস্তফা কামাল পলাশের ছেলে ফেসবুকে একটি পোস্ট করে বিমানবন্দরে লাগেজ কেটে মালামাল চুরির অভিযোগ তুলেছেন। পোস্টে তিনি একটি ছবিও যুক্ত করেছেন, যেখানে ফ্লাইট বিজি-৩১০৪ থেকে আসা প্রায় ১৫০ জন হজযাত্রী তাদের লাগেজ কাটা অবস্থায় পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগের সত্যতা নয় বলে দাবি করেছেন। তাদের মতে, সিসিটিভি ফুটেজ এবং বডি অন ক্যামেরার রেকর্ড বিশ্লেষণের পর প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং টিম তদন্তে বিশেষ করে কোনো হাজির ব্যাগ কেটে মালামাল চুরির প্রমাণ খুঁজেছিল। তদন্তে দেখা গেল রাত ২টা ৫২ মিনিটে চেক অন করা হয়েছিল এবং পরে রাত ৩টা ৫ মিনিটে প্রথম ব্যাগ ডেলিভারি বেল্টে যুক্ত করা হয়। গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং স্টাফদের সাথে কথা বলা হয়েছিল যে, লাগেজগুলো বিমানবন্দরের সিকিউরিটি গার্ডের উপস্থিতিতে ব্যবহার করা হয়েছিল। যাত্রীদের কেবল ৫ থেকে ৬ জন বলেছেন যে তাদের ব্যাগ ছেড়া বা কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। কিন্তু কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।

যাত্রীদের বিবরণ ও নিয়মানুযায়ী বিবেচনা

আক্রান্ত যাত্রীদের সাথে কথা বলা হয়েছে যে ব্যাগগুলোতে জমজমের পানি, শ্যাম্পু ও লোশন রয়েছিল। তাদের ব্যাগ থেকে মূল্যবান কোনো জিনিস হারানো হয়নি। যাত্রী বলেছেন যে তাদের ব্যাগের ভেতর থেকে একটি মানিব্যাগ হারানো হয়েছে, কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা মৌখিক বিবরণ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। বিমানের স্টাফরা তাদেরকে ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ডে’ ডেস্কে প্রমাণ দাখিল করার জন্য অনুরোধ করেছেন। যাত্রীরা কোনো প্রকার লিখিত অভিযোগ করেননি এবং বিমানবন্দর এলাকা ত্যাগ করেছেন।

“২ জুন জেদ্দা থেকে ৪১৯ জন হজযাত্রী ঢাকায় অবতরণ করে। রাত ২টা ৫২ মিনিটে চেক অন হয়। মাত্র ১৩ মিনিটে রাত ৩টা ৫ মিনিটে সব ব্যাগ ডেলিভারি বেল্টে আনা হয়। এখন পর্যন্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে এ ফ্লাইটের কোনো ব্যাগ মিসহ্যান্ডলিং বা কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে।”

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম সাংবাদিকদের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন পাঠান। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী হাজি বা যাত্রী মূল চেক-ইন লাগেজে জমজমের পানি বা সিলগালা না করা তরল প্রসাধন সামগ্রী বহন করতে পারেন না। যদি লাগেজ স্ক্যানিংয়ে এ তরল পদার্থ ধরা পড়ে, তাহলে সৌদি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *