পঞ্চগড়ে মামি ও ভাগনি নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
অজ্ঞাতপরিচয়ে আরও চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে
পঞ চগড় ম ম ভ গন ক – পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের অমরখানা এলাকায় গত ৩১ মে রাতে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে মামি (৪০) ও ভাগনি (১৮) বাড়িতে ফিরে আসেন। ঘরের তালা লাগানো দেখে তারা রাস্তায় দাঁড়ানো ছিলেন। এ পরিস্থিতিতে একটি ব্যাটারি চালিত ভ্যান এসে তাদের জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক হয়ে রয়েছে।
“আমার মেয়ে ও তার মামির সঙ্গে যে ঘটনা ঘটেছে, তার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যারা এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করেছে, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।”
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে অভিযোগগুলি প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মো. পারভেজ (২০), মো. রাসেল ইসলাম (২২) ও বিশ্বজিৎ (২১) নামে চারজন এজাহারনামী করেছেন। ভুক্তভোগী কিশোরী ও মামি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
প্রতিবেদনে তথ্যসহ বিবরণ
পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন জানান, ধর্ষণের অভিযোগ প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। তিনজন আসামির নাম উল্লেখ করা হয়েছে অজ্ঞাতপরিচয়ে আরও চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
“ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ভুক্তভোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ধর্ষণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।”