মানুষকে হয়রানি না করে সর্বোচ্চ সেবা দিতে হবে: এমপি জহিরুল ইসলাম
পরামর্শের গুরুত্ব ও আশা
ম ন ষক হয়র ন ন কর – মানুষকে হয়রানি করে না দিয়ে সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করতে হবে, এই বিষয়ে প্রতিশ্রুতি জানানো হয়েছে। বাঁশখালী পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বুধবার (৩ জুন) দুপুরে প্রধান অতিথি মাওলানা জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, সেবার গুণমান বৃদ্ধি করার জন্য দুর্নীতি বা অসুবিধা না করে একটি সুষ্ঠু পদ্ধতিতে কাজ করার প্রয়োজন। এই বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে জানান যে মানুষের প্রতি সম্মান রক্ষা করা সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার প্রধান কারণ।
সেবা ও প্রতিশ্রুতির মধ্যে সম্পর্ক
বাঁশখালী পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে সংসদ সদস্য মাওলানা জহিরুল ইসলাম তার সহযোগিতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, কর্মকর্তারা উন্নয়নের ক্ষেত্রে নির্দেশ দিতে হবে কোথায় কী করা প্রয়োজন এবং কোথায় যেতে হবে। পরামর্শ দেওয়ার পরে মানুষকে হয়রানি না করে সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করার দিকটি প্রতিষ্ঠিত করা হবে এবং এর জন্য দুর্নীতি বা কোন প্রকার বিপদ সৃষ্টি করা হবে না।
মানুষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। মানুষ আপনাদের কাছে আসে কারণ আপনারা একটি দায়িত্বে আছেন। তাই আপনারা মানুষকে হয়রানি করে না দিয়ে সর্বোচ্চ সেবা দিতে হবে। এমন সেবা প্রদান করতে হবে যাতে মানুষ আপনাদের মা-বাবাকে গালি না দিয়ে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানায়।
উন্নয়নের প্রতি দায়িত্ব
বাঁশখালী পৌরসভার উন্নয়নে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের কাজে সহায়তা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এ ক্ষেত্রে তারা খালি হাতে ফেরত দেবেন না আশা করি। সকলে মিলে বাঁশখালীকে মডেল উপজেলার পরিচয় দেওয়া সম্ভব হবে ইনশাআল্লাহ।
এমপি জহিরুল ইসলাম কর্মকর্তাদের আহ্বান জানান যেন মানুষকে হয়রানি করে না দিয়ে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়া কার্যকরী হয়। তিনি জানান, মানুষকে হয়রানি করে না দিয়ে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার জন্য সবাই যোগদান করতে হবে। এ প্রক্রিয়ায় সংসদ সদস্যের গুরুত্ব বৃদ্ধি করা হবে।
সভার সম্পাদন ও বিষয়গুলি
মতবিনিময় সভার সভাপতি ছিলেন পৌরসভার প্রশাসক ও ইউএনও রুহুল আমিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুধাংশু শেখর হালদার, বাঁশখালী পৌরসভা জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ আবু তাহের এবং পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, মানুষকে হয়রানি করে না দিয়ে সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করার জন্য