News

রামিসা হত্যা মামলা / ‘ডলার’ নাম নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপত্তি, বিভ্রান্তির শঙ্কা

রামিসা হত্যা মামলার বিতর্ক উঠেছে 'ডলার' নামের ঘাটতির বিষয়ে র ম স হত য ম মল - রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় আসামি

Desk News
Published June 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

রামিসা হত্যা মামলার বিতর্ক উঠেছে ‘ডলার’ নামের ঘাটতির বিষয়ে

র ম স হত য ম মল – রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানার সাক্ষ্যে উঠে আসা ‘ডলার’ নাম কে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) তদন্ত ও নথিভুক্ত প্রক্রিয়ার পরে রাষ্ট্রপক্ষ জানিয়েছেন যে মামলার আনুষ্ঠানিক দলিল, সাক্ষ্য বা আপত্তি করার জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার নথিতে ‘ডলার’ নামের কোনো উল্লেখ নেই। তাই বিচার চলাকালে নতুন করে এ ধরনের নাম আসলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতে বিশেষ প্রতিবেদন দেন

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান দুলু আদালতে জানিয়েছেন, সোহেল রানার মুখে উচ্চারিত হওয়া ‘ডলার’ নামটি মামলার কোনো আনুষ্ঠানিক দলিল, সাক্ষ্য বা আপত্তি করার জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার নথিতে উপস্থাপিত হয়নি। তিনি বলেন, নথিভুক্ত প্রক্রিয়ার বাইরে এ ধরনের নতুন নাম আসলে আদালতের প্রক্রিয়াকে জটিল করতে পারে এবং সাধারণ মানুষের মনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

রাষ্ট্রপক্ষ এ বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের নথিতে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন, যাতে পরবর্তী যুক্তিতর্কে বিষয়টি স্পষ্টভাবে বিবেচনা করা যায়।

শুনানির শুরুতে বিচারক মামলার ১৬ জন সাক্ষীর গুরুত্বপূর্ণ জবানবন্দি আসামিদের সম্মুখে উপস্থাপন করেন। এতে রামিসার খোঁজার ঘটনা, সন্দেহভাজন ফ্ল্যাট শনাক্ত করা, ঘরের ভেতরে রক্তের আলামত এবং শিশুটির মরদেহ উদ্ধারের বিবরণ উঠে আসে। একই সময় স্বপ্না আক্তার কীভাবে সোহেল রানাকে পালাতে সহায়তা করেছিলেন সে বিষয়টি আলোচনায় আসে। পরে আদালত আসামিদের কাছে এসব সাক্ষ্য, ভিডিও প্রমাণ এবং আলামত নিয়ে ব্যাখ্যা চান।

আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্যে সোহেল রানা বলেন, ‘আমি নির্দোষ স্যার। আমাকে মাফ করে দিন।’ পরে তিনি আবারও জানান, ‘ডলারকে ধরুন। আমি অপরাধ করেছি। তাকেও ধরুন।’ এক পর্যায়ে তার নিজের সন্তানের কথা উল্লেখ করে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টিও উল্ল

Leave a Comment