কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো ৫৮ ফুটের মৃত তিমি
ক য় ক ট স কত ভ – কুয়াকাটা সৈকত এবং বঙ্গোপসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠে বিশাল আকারে মৃত তিমি স্থানান্তরিত হয়েছে। পরিচালনায় কুয়াকাটা সৈকতের স্থানীয় বাসিন্দারা এবং উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সদস্যরা এই ঘটনা নিয়ে চিন্তা-চিন্তার পর সৈকতে যাওয়ার পর তিমির স্থান নির্ধারণ করেন। সাগরের স্রোত ও প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতিক্রিয়া কারণে তিমি সমুদ্রের তীরে পৌঁছাতে আরও কয়েকটি দিন সময় লাগতে পারে।
তিমি কুয়াকাটা সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে দুই কিলোমিটার দূরে সমুদ্রে ভাসছিল। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, এটি পুরোপুরি জীবিত ছিল না, কয়েক দিন আগে মৃত্যুর পর সমুদ্রে ফেলা হয়েছে। আন্দোলনের সদস্যদের বিশ্বাস, তিমিটি আলোকপাত হওয়ার পর কুয়াকাটা সৈকতে আসেনি বলে মনে হচ্ছে। পরিবেশ পরিস্থিতি এবং আবহাওয়া সংক্রমণ কারণে এটি পৌঁছাতে সময় লাগছে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) আহ্বায়ক কেএম বাচ্চু জানান, তিমিটি সমুদ্রে ভাসছিল এবং কুয়াকাটা সৈকতে এসেছে। এটি আলোকপাত হওয়া পর সমুদ্রে অবস্থান করছে। তিমির পরিচয় নির্ধারণের জন্য উপরা ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছেন।
বৃদ্ধ তিমির মৃত্যুর কারণ নির্ধারণের চেষ্টা
কুয়াকাটা সৈকতে মৃত তিমি পাওয়ার পর পরিচালিত কুয়াকাটা সৈকতের সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের অধীনে গবেষণা চালু করা হয়েছে। ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, তিমি আলোকপাত হওয়ার পর কুয়াকাটা সৈকতে আসে। মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণের অনুসন্ধানের জন্য সামুদ্রিক বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ চলছে।
তিমির মৃত্য�