মায়ের লাশে পচন: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
মরদেহ উদ্ধার এবং আইনি বিচারের প্রক্রিয়া
ম য র ল শ পচন য – বৃদ্ধা নুরজাহান বেগমের মৃত্যু ঘটনা সম্পর্কে আরও গুরুতর খবর নিয়ে এ কথা জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। তিনি ঘোষণা করেছেন যে মিরপুরে বসবাসরত তার ছেলে এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মায়ের লাশে পচনের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তদন্নী করা হচ্ছে এবং বর্তমান আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ঘটনার তদন্নী প্রক্রিয়া বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ চাকরি করছেন মোংলা বন্দরের প্রকৌশল ও উন্নয়ন বিভাগের যুগ্ম-সচিব আনিসুর রহমান।
মরদেহ উদ্ধার এবং পরিবারের সমস্যা
বুধবার (৩ জুন) সকালে জাগো নিউজকে এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। নুরজাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয় গত রোববার (৩১ মে) রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকায়। তাঁর স্বামী এবং দুই ছেলের মধ্যে অনুপ্রাণিত হয়েছেন যুগ্ম-সচিব আনিসুর রহমান। ঘটনার পর থেকে তার ফোনে অসংখ্য বার কল আসছে কিন্তু তিনি কলটি গ্রহণ করছেন না। তাঁকে ফোনে কাল রাতে যোগাযোগ করা হয়নি বলে অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে।
বৃদ্ধা নুরজাহান বেগম তার ছেলেদের স্বাক্ষর করে ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। ঘটনার কারণ খুঁজতে তিনি বলেন, “পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না এবং তার মাকে যোগাযোগের দুর্বলতা এ কারণে যুগ্ম-সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” ঘটনার তদন্নী প্রক্রিয়ায় তার বাবা এবং মেয়ে স্কুল শিক্ষিকা বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দিতে বাধ্য হয়েছেন।
পরিবারের আরও সদস্যদের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা সেটা দেখছি।” তিনি বলেন, ঘটনার প্রতিক্রিয়া নিয়ে তদন্নী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং মায়ের লাশে পচনের মামলায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিচার করা হবে।
নুরজাহান বেগমের ছেলেদের মধ্যে মোংলা বন্দরের যুগ্ম-সচিব আনিসুর রহমান এবং বুয়েটের অধ্যাপক এ কে এম আশিকুর রহমান বাসা থেকে দূরে ছিলেন। সেই সময় তার ফোন উত্তর দেওয়া হয়নি যদিও ঘটনার সময় গত রাত থেকে অসংখ্য বার কল আসছিল। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে মায়ের লাশে পচনের অভিযোগ সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়।
যুগ্ম-সচিব আনিসুর রহমান গত রাত থেকে তার ফোনে কল দেওয়া হচ্ছে কিন্তু তিনি কলটি গ্রহণ করছেন না। নুরজাহান বেগম কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং �