News

কোটচাঁদপুর হাসপাতাল / মুখ থুবড়ে পড়েছে এনসিডি কর্নার, বন্ধ ওষুধ সরবরাহ

কোটচাঁদপুর হাসপাতাল / এনসিডি কর্নার কাজ কমে পড়েছে ক টচ দপ র হ সপ ত - জানা গেছে, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাইলট

Desk News
Published June 3, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কোটচাঁদপুর হাসপাতাল / এনসিডি কর্নার কাজ কমে পড়েছে

ক টচ দপ র হ সপ ত – জানা গেছে, ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল এনসিডি কর্নার। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং জনবল সংকট এবং ওষুধের ঘাটতির কারণে সেই কেন্দ্রটি সাধারণ সেবা প্রদানে পড়ে গেছে।

প্রকল্প চালুর প্রথম পর্যায়ে রোগীদের বিশেষ কার্ড দেওয়া হতো, যা মাধ্যমে তারা বিনামূল্যে এক মাসের ওষুধ পেতেন। কার্ডের সাথে সবুজ রঙের বই দেওয়া হতো, যা ওষুধ বিতরণের হিসাব রাখতে ব্যবহৃত হতো। আগে কোটচাঁদপুরে রোগীরা অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে ওষুধ পেতেন, যার ফলে কাঙ্খিত সেবা প্রদানের পরিমাণ কমে পড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে এনসিডিসি প্রকল্পের দায়িত্ব পালনকারী এক কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে এক মাসের ওষুধ প্রদানের ব্যবস্থা ছিল। এখন কেউ ১০ দিনের, কেউ ১৫ দিনের, কেউ বা ২০ দিনের ওষুধ পেয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের থেকে ওষুধ সরবরাহ কমে গেছে।

এনসিডি কর্নার শুরু হয়েছিল পুরনো ভবনের ১০৯ নম্বর কক্ষে। প্রথম দিকে রোগীদের ডায়বেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয়ের জন্য বিনামূল্যে পরীক্ষা ও ওষুধ দেওয়া হতো। কিন্তু চলতি বছরের শুরু থেকে ওষুধ সরবরাহ হারিয়েছে। এতে নার্স প্রশিক্ষিত নয়, অফিস সহকারী দিয়ে কর্ম চালানো হচ্ছে।

গত বছর ওষুধ পাওয়া গেছে কিছু পর্যন্ত, কিন্তু বর্তমানে কোনো ওষুধ আসছে না। হাসপাতালের স্টোর বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগে কেনা হতো মোট ওষুধের প্রায় ৫-৭ শতাংশ এনসিডি কর্নারের জন্য। এখন সেটি বন্ধ হয়ে গেছে এবং হাসপাতাল বাজেট থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে।

এনসিডি কর্নারে দায়িত্ব পালনকারী সহকারী সার্জন ডা. কোমল কুমার বলেন, কর্নারে প্রতিদিন গড়ে ২০০-২৫০ রোগীকে সেবা দেওয়া হয়। আগে এক মাসের পূর্ণ কোর্সের ওষুধ দেওয়া হতো, কিন্তু বর্তমানে কম দিচ্ছে। এতে বাড়ছে রোগীদের ভোগান্তি।

সেলিনা খাতুন নামে এক রোগী বলেন, আমি উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। আগে এখানে এসে প্রেসার মাপার পর ওষুধ পেতেন, কিন্তু এখন ১০ দিনের পরিমাণ দেওয়া হচ্ছে। নিয়মিত টাকা দিয়ে ওষুধ কিনতে হয় আমার জন্য।

হাশেম আলী নামে আরেক রোগী বলেন, আগে এই ঘরে ডাক্তার ছিলেন, নার

Leave a Comment