সালমান খানের পালোয়ান চরিত্র প্রভাবিত করেছিল বহু সিনেমাপ্রেমীকে
এই গ র ম র প র – সালমান খানের সুলতান সিনেমায় তাঁর পালোয়ান চরিত্র দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন বহু সিনেমাপ্রেমী, যারা তাঁকে নব্বই দশকের একজন স্বাস্থ্য সচেতন চর্চার উদাহরণ বিবেচনা করেন। তবে বিশ্ব পরিবর্তিত হতে থাকার সাথে সাথে কোনো নতুন ক্ষেত্রে মানুষের কাছে এটি একটি জীবনধারা হয়ে উঠেছে।
শক্তিশালী প্রথার নিদর্শন
দিল্লির শহুরে জীবনের মাঝখানে অবস্থিত আসোলা-ফতেহপুর বেরি গ্রামটি বিশ্বাসের জন্য সুপরিচিত। স্থানীয়দের মতে, এখানে ফিটনেস কেবল একটি ধারণা নয়, বরং এটি সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গৃহীত। নিয়মিত ব্যায়াম একজন মানুষকে শারীরিকভাবে শক্তিশালী করার পাশাপাশি তাকে আত্মনিয়ন্ত্রিত ও দায়িত্বশীল করে তোলে বলে বিশ্বাস করেন অনেকে।
প্রতিদিন বিকালে ঘোঁটার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ শুরু হয় গ্রামের বিভিন্ন আখড়ায়। যুবকদের প্রাধান্য করে সহনশীলতা বৃদ্ধি করা কিংবা ওঠার জন্য দড়ি বেয়ে কাজ করে থাকেন। ট্র্যাক্টর টানা ও ভারী টায়ার বহনের মাধ্যমে ওজন তোলা অনুশীলন এখানে সাধারণ হয়ে আছে।
নিয়মিত ব্যায়াম একজন মানুষকে শারীরিকভাবে শক্তিশালী করার পাশাপাশি তাকে আত্মনিয়ন্ত্রিত ও দায়িত্বশীল করে তোলে।
খাদ্য আদতে এখানকার বৈশিষ্ট্য
গ্রামে যুবকদের জীবন বিশেষ রূপে বিন্যস্ত রয়েছে। তাদের দৈনিক খাদ্যতালিকায় দুধ, দই, ঘি, মাখন, বাদাম এবং ফল সংযুক্ত রয়েছে। উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার অনেকে পরিবারের সদস্য থেকে মাখামাখি ভোজন করেন। ধূমপান ও মাদক দূরে রাখাকে এখানে সুস্থ জীবনের আবশ্যক অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
স্থানীয় মানুষ একটি দৃঢ় প্রথা বজায় রাখে যা গ্রামের আখড়ায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনুশীলনের প্রতি তাদের ভালোবাসা প্রতিফলিত করে। শারীরিক পরিশ্রম এবং মানসিক দৃঢ়তা তাদের পরিবারের শিক্ষার অংশ হিসেবে প্রাথমিক হয়ে আছে।
পেশার নতুন উৎস
আসোলা-ফতেহপুর বেরি গ্রাম নিয়ে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি বাউন্সার পেশার জন্য। স্থানীয় জন দাবি করেন যে গ্রামের প্রায় প্রতিটি পরিবার থেকে অন্তত একজন সদস্য নিরাপত্তা পেশার সঙ্গে যুক্ত। দিল্লি-এনসিআরের নাইট ক্লাব, পাঁচতারা হোটেল এবং করপোরেট অনুষ্ঠান সমূহ এখানে তরুণদের প্রয়োজন বৃদ্ধি পেয়েছে।
নব্বইয়ের দশকে কয