News

নিজেদের মধ্যে অনৈক্যের মাশুল গুনছেন পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম ভোটারদের মধ্যে বিভাজনের ফলে তাদের প্রার্থীদের বিপর্যস্ত করা হয়েছে ন জ দ র মধ য অন - পশ্চিমবঙ্গে মোট জনসংখ্যার প্রায় তিন দশমিক শতাংশ

Desk News
Published May 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম ভোটারদের মধ্যে বিভাজনের ফলে তাদের প্রার্থীদের বিপর্যস্ত করা হয়েছে

ন জ দ র মধ য অন – পশ্চিমবঙ্গে মোট জনসংখ্যার প্রায় তিন দশমিক শতাংশ মুসলিম ভোটার। আগের নির্বাচনে এই ভোটব্যাংকের বেশির ভাগ বিশেষ করে ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি সমর্থন দেখা গেছে। সেই সময় সংখ্যালঘু ভোটের ঐক্য বিজেপির আগ্রাসী উত্থান রোধ করেছিল। কিন্তু এবার তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দলের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভাঙন দেখা গেছে।

যেসব আসনে বিজেপির বিরুদ্ধে একত্রিত ভোট বিতর্ক হতো, এবার সেই আসনগুলোতে মুসলিম ভোট বিভক্ত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলায় যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা দুই তৃতীয়াংশ বা প্রায় ২০ লাখ রয়েছে, তৃণমূলের আসন সংখ্যা ২০ থেকে কমে ৯-এ। বিজেপি তখন এই অঞ্চলে একটি আসন হারিয়েছে বলে দেখা গেছে। তবে মালদা ও উত্তর দিনাজপুরেও একই প্রবণতা দেখা গেছে।

নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের প্রসঙ্গ উঠেছিল। রাজ্যজুড়ে প্রায় ৯১ লাখ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়। বিরোধী দলগুলো বলেছে যে বাদ পড়া ভোটারদের বেশির ভাগ ছিল তৃণমূল সমর্থক মুসলিমরা।

নির্বাচনের পর বিজেপি মুসলিমদের প্রতি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে

বিজেপি নির্বাচনে জয় পেয়ার পর একের পর এক বিভিন্ন ব্যবস্থা প্রবর্তন করছে। কলকাতার নিউমার্কেট চত্বরে তৃণমূলের কার্যালয় ও মাংসের দোকানগুলো বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশের আদলে রাস্তায় মসজিদ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নোয়াপাড়া অঞ্চলে মসজিদবাড়ি রোড নাম বদলে নেতাজি পল্লী রোড হয়েছে। এখন ঈদের নামাজ পড়া পরিবর্তনের আশঙ্কা উঠেছে।

নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং বলেন, নামাজ পড়তে পারবে কিন্তু রাস্তায় পড়া যাবে না। সরকার স্বীকৃত কসাইখানাতেই গরু, মহিষ জবাই দিতে হবে। নির্দিষ্ট পশুর ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়া জবাই করা যাবে না।

বিজেপি প্রকাশ্যে যত্রতত্র জবাই নিষেধ করেছে। তাদের বিজেপি সরকার আসামের মডেল অনুসরণ করবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আসামে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ বাসিন্দার এক-তৃতীয়াংশ। সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার করতে তাদের নীতি প্রয়োগ করা হবে।

মুসলিম সম্প্রদায়ের অবস্থা পরিবর্তি�

Leave a Comment