কোরবানির চামড়ার মূল্য মসজিদে দান করা যাবে?
ক রব ন র চ মড় র –
প্রশ্ন: কোরবানির চামড়ার মূল্য মসজিদে দান করা যাবে?
আসল বিষয় ও প্রক্রিয়া
যদি কোরবানির পশুর কোনো অংশ দাতার নিজের কাজে ব্যবহার করা হয় না বা কেউ হাদিয়া হিসেবে গ্রহণ করে না, তবে তা সদকার নিয়তে বিক্রয় করা অবশ্যই অনুমোদিত। বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্জিত টাকা জাকাত গ্রহণের যোগ্য দরিদ্র ব্যক্তিকে প্রদান করা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।
কোরবানির পশুর চামড়াসহ কোনো অংশ বিক্রয়ের পর অর্জিত অর্থ নিজের ব্যবহারে ব্যয় করা যায় না, কোনো সম্পদশালী ব্যক্তিকে হাদিয়া হিসেবে দেওয়া যায় না, মসজিদেও দান করা যায় না। এই টাকা মসজিদ নির্মাণের জন্য ব্যয় করা নাজায়েজ হবে।
মসজিদ নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা ব্যয় মুসলমানদের নফল দান থেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। জাকাত, ফেতরা বা মানতের টাকা মসজিদ কাজে ব্যয় করা যায় না।
তবে সেইসব মাদরাসা যেখানে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন, শিক্ষা ও খাদ্য সরবরাহ করা হয়, সেখানে কোরবানির চামড়ার টাকা দান করা জায়েজ। চামড়ার টাকা সংগ্রহের পর তা জাকাতের হকদার দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যয় করা মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।