News

কুয়াকাটায় পর্যটক খরা, খালি পড়ে আছে হোটেলের বেশিরভাগ কক্ষ

কুয়াকাটায় পর্যটক খরা, খালি পড়ে আছে হোটেলের বেশিরভাগ কক্ষ ক য় ক ট য় পর যটক - ঈদ ছুটির মুখে কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে কাজ করতে থাকে না পর্যটকের।

Desk News
Published May 29, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

কুয়াকাটায় পর্যটক খরা, খালি পড়ে আছে হোটেলের বেশিরভাগ কক্ষ

ক য় ক ট য় পর যটক – ঈদ ছুটির মুখে কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে কাজ করতে থাকে না পর্যটকের। প্রতিবছর এই সময় হোটেল-মোটেলগুলো আস্থান হিসেবে কাজ করে থাকে যেখানে অনেক সংখ্যায় কক্ষ পূর্ণ হয়। কিন্তু চলতি বছর সেই পরিস্থিতি আর দেখা যাচ্ছে না। ঈদের দ্বিতীয় দিন এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার হওয়া সত্ত্বেও সৈকতে দেখা যায় না পর্যটকদের ভিড়।

কুয়াকাটার বেশিরভাগ আবাসিক হোটেল, রিসোর্ট ও গেস্ট হাউজ পর্যটন সংক্রান্ত আশানুরূপ বুকিং হয়নি। কোনও হোটেলে ২০ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশ কক্ষ ফাঁকা পড়েছে। অনেক হোটেলে কক্ষের অর্ধেকের বেশি সংখ্যা খালি পড়ে আছে। বিশেষ করে জিরো পয়েন্ট, লেম্বুরবন, গঙ্গামতি, ঝাউবন, ব্লক পয়েন্ট এবং তিন নদীর মোহনার সামনে পর্যটন স্থলগুলোতে দেখা যায় না বৃদ্ধি।

“ঈদকে কেন্দ্র করে আমরা প্রতিবছর বিশেষ খাবার, সাংস্কৃতিক আয়োজন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু এবার পর্যটকের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। অনেক কক্ষ এখনো ফাঁকা পড়ে আছে।” বলেন সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড বিলাসের জিএম আল-আমিন খান।

অর্থনৈতিক কারণে পর্যটক সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। সৈকত পরিস্থিতি কম বৃদ্ধি পেয়েছে সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা, যাতায়াত ব্যয় বৃদ্ধি এবং মানুষের ব্যয় সংকোচনের কারণে। হোটেল বেস্ট সাউদার্নের পরিচালক মো. সাকুর বলেন, “ঈদের এই সময়ে সাধারণত এক সপ্তাহ আগে সব কক্ষ বুকিং হয়ে যায়। কিন্তু এবার মাত্র ১৯টি কক্ষ বুকিং হয়েছে।”

“গত ১০ বছরে এমন নীরব ঈদ মৌসুম আমরা দেখিনি। পর্যটক কম হওয়ায় শুধু হোটেল ব্যবসাই নয়, এর সঙ্গে জড়িত শত শত শ্রমিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীও ক্ষতির মুখে পড়েছেন।”

কুয়াকাটার অর্থনীতি মূলত পর্যটন নির্ভর। হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন ও দোকানপাটগুলোতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, “যদি ঈদের বাকি দিনগুলোতেও একই অবস্থা থাকে, তাহলে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের লোকসান গুনতে হবে।”

পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, “আমরা ধারণা করেছিলাম দীর্ঘ ছুটি থাকায় পর্যটকের সংখ্যা বেশি হবে। কিন্তু বাস্তবে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। তবে আবহাওয়া অনুকূল হলে ও যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক থাকলে পর্যটকের চাপ বাড়তে পারে।”

তিনি আরো বলেন, “আমরা পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বিভিন্ন প্রচারণা চালাচ্ছি।” সৈকতে পর্যটকদের

Leave a Comment