চৌষট্টি হাজার গ্রামের প্রতিটি স্কুল কি এমন হতে পারে না?
প্রাথমিক শিক্ষার জন্য একটি উদাহরণ হিসেবে আড়পাড়া মডেল বিদ্যালয়ের সাফল্য
চ ষট ট হ জ র গ – একটি স্কুল উদাহরণ হিসেবে দেখালে কেবল দায়িত্ব শেষ হয় না। বছরের পর বছর প্রশংসা পেয়ে থাকলেও তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের আগে থামে না।
মাগুরার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সকলের মাঝে একটি স্বপ্ন প্রকাশ করে। আমার ভাগ্নী ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। তিনি জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কার পেয়েছেন, কিন্তু তার কাজ থামে না। প্রতিদিন নতুন করে প্রশিক্ষণ ও উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের স্কুল গঠনের সম্ভাবনা প্রমাণ করছেন।
বিদ্যালয়টিতে প্রতিটি শিশু প্রতিদিন ডিজিটাল আইডি কার্ড ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিরীক্ষণ করা হয়। নিয়মিত উপস্থিতি প্রায় শতভাগ হয়েছে। অভিভাবকদের জন্য রয়েছে আনন্দ পাঠাগার, যেখানে মায়েদের বই পড়ার সুযোগ দেয়া হয়।
প্রতিদিন শিক্ষকরা নিজেদের শপথ করে নৈতিকতা ও মানবিক শিক্ষা দিতে চায়। দেয়ালে রয়েছে বাংলাদেশের মানচিত্র, যেখানে শিশুরা ভূগোল শেখে। ছোটবেলা থেকে তাদের মানবতা এবং সামাজিক দায়িত্ব শিখানো হচ্ছে।
কেন এই সংস্কৃতি দেশের প্রতিটি বিদ্যালয়ে নেই? শিক্ষা শুধু পাঠ্যবই নির্ভর রাখা হয়নি বিদ্যালয়টিতে, সামাজিক ও মানবিক বিকাশের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে।
বিদ্যালয়টিতে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা রয়েছে। অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম এবং নির্ভর না করে শিশুরা নিজে মূল্য নির্ধারণ করে জিনিস নিয়ে গেলে নিশ্চিত হয়েছে তাদের নৈতিক শিক্ষা বিকাশ হয়। শাখার নাম ‘ক’ বা ‘খ’ নয়, পদ্মা, মেঘনা, যমুনার নাম দিয়েছে। দেয়ালে স্থানীয় ইতিহাস, সাহিত্যিক ও ঐতিহ্যের পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
একটি বিদ্যালয় ভালো করলেই আসল সমস্যা সমাধান হয় না। ব্যতিক্রম সীমাবদ্ধ থাকতে পারে কয়েকটি উদাহরণে। তবে সা�