যুক্তরাজ্যে চাকরি না মিলছে তরুণদের ঝুঁকি বাড়ছে
চ কর ম লছ ন য ক – যুক্তরাজ্যে চাকরি মিলছে না এমন তরুণদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যেটি সমাজের ভবিষ্যতে গুরুতর প্রভাব ফেলছে। সরকারি রেকর্ড অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুতে প্রান্তিক বয়সের (১৬-২৪ বছর) কর্মহীন ও শিক্ষার বাইরে থাকা তরুণদের সংখ্যা ১০ লাখের বেশি হয়ে গেছে। এটি হল প্রতিবেশী তিনটি বছরের পর প্রথম সময়, যখন তরুণদের মধ্যে চাকরি না মিলছে এমন একটি সংকট দেখা দিয়েছে। পর্যালোচনা কমিশন এই সমস্যার পরিস্থিতি বাড়ছে বলে সতর্ক করেছে, যেটি বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়ায় পরিচালিত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতামত এবং বাস্তব চ্যালেঞ্জ
পর্যালোচনা কমিশনের নেতৃত্ব দেন সাবেক শ্রমমন্ত্রী অ্যালান মিলবার্ন, যিনি সতর্ক করেন যে চাকরি না মিলছে অবস্থা তরুণদের হারানো প্রজন্মে পরিণত হতে পারে। তিনি বলেন, এখন অনেক তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে প্রবেশ করার সময় চাকরি না মিলছে এমন সুযোগ দেখে বিব্রত হচ্ছে। এই অবস্থা বিশেষ করে বৃত্তিমূলক চাকরি বাড়ছে না এবং শিক্ষার পর কোনো কাজ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে আসছে। যুক্তরাজ্যের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস অঞ্চলের ২৩ বছর বয়সী শানা ফাতালি জানান যে দুই বছরের বেশি সময় চাকরি খুঁজছেন এবং সিভি জমা দিয়েও চাকরি পাওয়া যাচ্ছে না। তার কাজ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে পরিবারের দায়িত্বের সাথে মানানসই কাজ খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে আসছে, কারণ অনেক তরুণ মাস্টার্স করছেন অপরাধবিদ্যায় কিন্তু পার্ট-টাইম চাকরির জন্য কফিশপ ও পাব সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আবেদন করেও কোনো সাড়া পাননি।
প্রতিবেদনের কেন্দ্রবিন্দু ও সমাধানের প্রয়োজনিতা
প্রতিবেদনে একটি গুরুতর প্রস্তাব রয়েছে যে যুক্তরাজ্যে তরুণদের জন্য অনুমোদিত কাজ বৃদ্ধি পেয়েছে না, এতে প্রতিবেশী সমস্যা আরও গুরুতর হয়ে আসছে। শিক্ষানবিশদের সুযোগ কমে যাওয়ায় তরুণরা চাকরি না মিলছে এমন অবস্থায় পড়ছেন। এই সমস্যা বিশেষ করে আতিথেয়তা খাতে কাজ বিনিয়োগ কমে গেছে, যা পরিস্থিতির পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এই সমস্যার কারণ খুঁজে বের করতে একটি কমিশন গঠন করেছেন, যার মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে।
শিক্ষার পর কোনো কাজ না পাওয়া সমস্যা
শিক্ষার পর চাকরি না মিলছে এমন তরুণদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, যারা অবস্থার সাথে সম্পর্ক খাটিয়ে জীবন যাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তবতা বদলে গেছে এবং চাকরি না মিলছে অবস্থা আরও গুরুতর হয়ে আসছে। ক