আইটি চাকরি ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা, মারা গেলেন বজ্রপাতে
আইট চ কর ছ ড় ক ষ – আইট চাকরি ছেড়ে কৃষি খাতে প্রবেশ করা একজন প্রতিভাশালী উদ্যোক্তার জীবন বজ্রপাতে শেষ হয়েছে। রোশন বালাকৃষ্ণা, যার বয়স ছিল ৪৩ বছর, মাইসুরু জেলায় স্থানীয় কৃষি সম্প্রদায়ের মধ্যে জনপ্রিয় হওয়ার পর আইটি চাকরি ছেড়ে প্রকল্প শুরু করেছিলেন। তিনি বিশেষ করে কৃষি যন্ত্র বিপণন কাজে লিপ্ত ছিলেন। এটি তাঁর স্ত্রী এবং ছেলের সঙ্গে যাওয়ার সময় ঘটেছে, যখন তিনি একটি জমি পরিদর্শনের জন্য রাস্তায় বের হন। এই ঘটনায় পরিবারের বেশ কয়েকটি সদস্য আহত হন, কিন্তু তাঁর আঘাত সবচেয়ে গুরুতর।
আইটি চাকরি ছেড়ে কৃষি জগতে প্রবেশের প্রেরণা
রোশন বালাকৃষ্ণা আইটি খাতে কাজ করার পর কৃষি প্রকল্পে নিয়োগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি কৃষি ব্যবসার বিস্তারের লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে পরিদর্শন করেন। এই সিদ্ধান্তের পিছনে ছিল কৃষি খাতে গৃহিণীদের আর্থিক স্বাধীনতা ও প্রতিষ্ঠিত কৃষি প্রতিষ্ঠানগুলি প্রসারিত করার লক্ষ্য। তিনি মাইসুরু জেলার স্থানীয় কৃষি সম্প্রদায়ের সাথে সংগঠিত হয়ে ব্যবসায়িক সফলতা লাভ করেছিলেন।
বজ্রপাতের ঘটনা ঘটার সময় তিনি আম পাড়ার জন্য একটি আমগাছের কাছে থামেন। হঠাৎ আকাশে বিদ্যুৎ স্পার্শ হওয়ার ফলে তাঁর শরীর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বিপর্যয় সংঘটিত হয়েছে মাইসুরু জেলার একটি গ্রামে যেখানে তিনি স্থানীয় কৃষি খাতে প্রবেশ করার সময় আঘাত গ্রস্ত হন। তিনি এই আঘাতে চূর্ণ প্রাণহারা হন।
তথ্য অনুযায়ী, রোশন বালাকৃষ্ণা কৃষি ব্যবসার সম্ভাবনা খুঁজতে চাকরি ছেড়ে জমি পরিদর্শনে যান। সেই লক্ষ্যে তিনি মাইসুরুতে একটি গ্রামে প্রবেশ করেন। এটি একটি কৃষি খাতে নতুন প্রকল্প প্রবর্তনের চরম আশা তুলে ধরেছিল। তিনি তাঁর স্ত্রী এবং ছেলেকে সাথে নিয়ে কাজে বের হন।
অনুসন্ধান এবং আঘাত প্রাপ্তির বিবরণ
বজ্রপাতের ঘটনার সময় তিনি আম পাড়ার জন্য একটি আমগাছের কাছে ছিলেন। এটি হঠাৎ ঘটেছে বৃষ্টি পরে বিদ্যুৎ বৃদ্ধির সময়। রোশন তাঁর ছেলেকে আহত করে পড়েন, কিন্তু স্ত্রী আহত হননি। পরিবার সূত্রে জানা গেছে তিনি কৃষি খাতে নিয়োগ পেয়েছিলেন এবং আইটি চাকরি ছেড়ে নতুন জীবন শুরু করেন। সেই সময় তিনি কৃষি যন্ত্র বিপণনের কাজে লিপ্ত ছিলেন।
অতঃপর ঘটনাস্থলে একজন ব্যক্তি আহত হন, কিন্তু তাঁর আঘাত সবচেয়ে গুরুতর ছিল রোশনের প্রতি। তাঁকে উদ্ধার করার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়, কিন্তু তিনি প্রাণ হারান। ঘটনার পর তাঁর পরিবারের কাছে মোট ৫ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়। সেই ক্ষতিপূরণের মধ্যে ৪ লাখ রুপি স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ড থেকে এবং ১ লাখ রুপি ন্যাশনাল ডিজ