নাগরিক ভোগান্তি কমাতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে কেসিসি : প্রশাসক
ন গর ক ভ গ ন ত ঈদের দিন কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে কেসিসি প্রশাসন। এ ঘোষণা করা হয়েছে কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর ২টার সময় তেতুলতলা মোড়ে বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে। প্রশাসক বলেন, নগরীর কোরবানির বর্জ্য ঈদের দিন রাত ১০টার মধ্যে অপসারণের কাজ চলছে। এজন্য কেসিসি নগরীতে ৭২২ পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ করেছে। সর্বশক্তি ব্যবহারের ফলে নগরীর মান উন্নয়ন কর্মসূচি প্রতিদিন আরও উন্নত হচ্ছে।
কর্মসূচির প্রাথমিক লক্ষ্য ও ক্রমবর্ধমান কাজ
ন গর ক ভ গ ন ত কেসিসি নগরীতে আগের দিন ঘোষণা করেছিল যে কোরবানির বর্জ্য ৮ ঘণ্টার মধ্যে সাফাই করা হবে। প্রশাসন এ লক্ষ্যের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে পরিচালনা করছে। নগরীর স্বাস্থ্য বিপর্যয় দূর করার জন্য কোরবানির বর্জ্য বর্জন করা হবে স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে। কর্মসূচির প্রতিদিনের কাজ দ্বারা নগরীর পরিবেশ সম্পর্কে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করা হচ্ছে এবং কোরবানির বর্জ্য বিপর্যয় দূর করার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে।
তেতুলতলা মোড়ে প্রতিদিন প্রায় দুই হাজার বর্জ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। কর্মসূচির কার্যক্রম প্রতিদিন আরও বৃদ্ধি পেয়েছে যাতে ন গর ক ভ গ ন ত এর পরিবেশ দূর্গন্ধ এবং রোগ প্রবর্দ্ধনে বাধা হয়। কর্মসূচির অনুসারে বর্জ্য সাফাই শেষে জবাইয়ের স্থানে স্যাভলনের পানি দিয়ে পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি কোরবানির বর্জ্য পরিপন্থী পরিস্থিতি দূর করার মাধ্যমে নগরীর মান উন্নয়ন করার লক্ষ্যে সর্বশক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।
প্রশাসনের প্রতিবেদন অনুযায়ী কর্মসূচি নগরীতে স্থায়ী ফলপ্রসূতি সুন্ন্য করেছে। কেসিসির সর্বশক্তি ব্যবহারে নাগরিক ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্য অব্যাহত রয়েছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মাধ্যমে বর্জ্য সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া অনুসারে নগরীর স্বাস্থ্য বিপর্যয় দূর করার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এ বিষয়ে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কর্মসূচি নগরীর জনস্বাস্থ্য উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ কাজে সর্বশক্তি নিয়োগ করা হয়েছে যাতে নগরীর ভোগান