সাত লাখে বিক্রি হলো ১৬ লাখ টাকা দাম চাওয়া সেই গরু
স ত ল খ ব ক র – বুধবার (২৭ মে) বিকেল সাড়ে চার টা পর্যন্ত পাবনার ব্যাপারী বাহার আলী একটি বড় গরুকে সাত লাখ টাকায় বিক্রি করেন। গরুটি আগে চুক্তি করা হয়েছিল পনেরো লাখ টাকার জন্য, কিন্তু এখন ক্রেতা মেলে না। ছোট গরুটি বিক্রি হয়নি এখনও, কেউ সাড়ে পাঁচ লাখ দিলে বিক্রি করে দেবেন বলে জানান ব্যাপারী।
গত শনিবার (২৩ মে) গরু দুটি পাবনা থেকে সানভ্যালি বালুরমাঠে নিয়ে আসা হয়। হাটে আসার শুরুতে বড় গরুর দাম হাঁকানো হয় পনেরো লাখ টাকা, ছোট গরুর দাম তার চেয়ে এক লাখ কম ছিল। কিন্তু গত তিন দিন কোনো ক্রেতা পাওয়া যায়নি। এতে বাহার আলী দাম কমিয়ে গরু দুটির দাম নব্বই ও সাত লাখ টাকা চান।
এই ব্যাপারী দাবি করেন, গরু দুটি তার নিজের গাভির। প্রায় ছয় বছর ধরে পরম যত্নে সেগুলো লালন-পালন করেছেন। গ্রামে প্রতিদিন একটি গরুর খাওয়া পেছনে এক হাজার টাকা খরচ হয়েছিল। খামারের খাবারের পাশাপাশি প্রাকৃতিক খাবারই বেশি খাওয়ানো হয়েছিল। কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার করেননি তিনি।
খুব কষ্ট করে বড় করেছি গরু দুটি বলে আফসোস করে তিনি জানান। আশা করেছিলাম ঢাকায় আনলে ভালো দাম পাব। কিন্তু ঢাকায় এনে লাভ তো দূরের কথা, অনেক লোকসান হয়ে যাচ্ছে। বাজার খুব খারাপ বলে আপত্তি ছাড়া কম দামে গরু বিক্রি করছেন।
আফতাবনগরের সংলগ্ন সানভ্যালি বালুরমাঠে বিশেষ ভাবে দুটি গরুর উপস্থিতি দেখা যায়। কেউ মোবাইলে ছবি তুলেছেন, কেউ দাম শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কিন্তু প্রথম দিন থেকে গরু দুটি বিক্রি হয়নি। মাঝারি আকারের একটি গরু আগে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছিল, কিন্তু এখন ক্রেতারা সেই গরুটি দাম দিচ্ছে ছয় লাখ টাকা বলে জানান।
বাজারের কুম্পানি
এবার বাজার খুব খারাপ। শুধু বড় গরু না, ছোট ও মাঝারি গরুও খুব কম বিক্রি হচ্ছে। ঢাকায় আনার আগে গ্রামে এক ব্যাপারী গরু দুটির দাম ১৬ লাখ টাকা বলেছিলেন। কিন্তু সেই দামেও বিক্রি করেননি। এখন কেন কম দামে বিক্রি করছেন? বাজার খুব খারাপ বলে আফসোস করে তিনি জানান, গরু দুটি খুব কষ্ট করে বড় করেছি। ভেবেছিলাম ঢাকায় আনলে ভালো দাম পাব। কিন্তু ঢাকায় এনে লাভ তো দূরের কথা, অনেক লোকসান হয়ে যাচ্ছে। শুধু আমি একা না, এবার বেশিরভাগ ব্যাপারী ঢাকায় গরু এনে লোকসানের মুখে পড়েছেন।
এই সময় ব্যাপারী আরও কয়েকটি ছোট গরু এনেছেন। সব থেকে বড় গরুটি মাংস হবে প্রায় ২৫ মণ