কৃষিজমি রক্ষার জন্য স্থাপনা গ্রহণ করবেন না: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
ক ষ জম নষ ট কর ক – বুধবার (২৭ মে) সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের আমতলী রেলঘুন্টি এলাকায় ভাতার মারি ফার্মে কৃষিজমি নষ্ট করে কোনও স্থাপনা গ্রহণ করা হবে না বলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঘোষণা করেন। তিনি জানান যে কৃষি খাত দিনের পর দিন কমে আসছে, যা ভবিষ্যতে দেশের কৃষি উৎপাদন এবং সম্পদ বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হতে পারে। এ সময় তিনি উল্লেখ করেন যে কৃষি জমি নষ্ট করে স্থাপনা বাস্তবায়ন করা হবে না, কারণ তা কৃষি খাতের অবিস্তার ঘটাতে পারে।
পরিকল্পনার মূল মূল্যবোধ
মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন কাজের সময় কৃষি খাতের সুরক্ষা ক্ষেত্রে আগে প্রাধান্য দেওয়া হবে। তিনি জানান যে পরিকল্পনা প্রণয়নে সব দিক থেকে বিচার করা হবে, যাতে কৃষি জমি নষ্ট করে কোন স্থাপনা বাস্তবায়ন করা হবে না। তিনি উল্লেখ করেন যে কৃষি জমি দেশের অর্থনীতির প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে, তাই এটি সম্পূর্ণ ভাবে রক্ষিত হবে।
পরিদর্শনের বিশেষ পরিস্থিতি
পরিদর্শন কাজে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন, বিএনপির জেলা সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা। ভাতার মারি ফার্ম এলাকায় মন্ত্রী জানান যে তিনি নতুন স্থাপনার জন্য কৃষি জমি বাদ দিয়ে কোনও কাজ চালু করতে চান না। সেই সাথে তিনি দাবি করেন যে এ পরিকল্পনা কৃষি খাতের সুযোগ ও সুবিধা বৃদ্ধি করবে।
বিশ্ববিদ্যালয় স্থানের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সদর উপজেলার শ্রীকৃষ্টপুর, জগন্নাথপুর, গড়েয়া ইক্ষু খামার ও সালান্দর এলাকায় মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, কৃষি ও উন্নয়ন দুই ক্ষেত্রে সমন্বয় রেখে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। এটি নিশ্চিত করবে যে সমস্ত স্থাপনা কৃষি খাতের মূল্য কমানো ছাড়া সম্পন্ন হবে।
“আমরা কৃষিজমি নষ্ট করে কোন স্থাপনা গ্রহণ করব না। এ সম্পর্কে পরিকল্পনা প্রণয়নে বিচার করা হবে যাতে কৃষি জমি প্রতিটি পরিকল্পনার প্রাথমিক ক্ষেত্রে সুরক্ষিত থাকে।”
মন্ত্রী তাঁর সাংবাদিক সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন যে সব প্রকল্পের মূল্যায়ন কৃষি খাতের সুরক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণের দিক থেকে করা হবে।
মন্ত্রী এ সময় আরও বলেন যে কৃষি খাত দেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, তাই উন্নয়ন কাজে তার স্থান কমানো হবে না। তিনি উল্লেখ করেন যে ভবিষ্যতে কৃষি খাতে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করতে হবে, তাই এটি অবিস্তার ঘটানো হবে না। কৃষি জমি নষ্ট করে স্থাপনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে না বলে স্পষ্ট ঘোষণা করেন তিনি।
স্থাপনার ঘোষণার পর মন্ত্রী বলেন যে কৃষি খাত বৃদ্ধি করতে হলে প্রাথমিক সমস্যা সমাধান করা জরুরি। তিনি জানান যে সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে এ পরিকল্পনা অনুসরণ করে দেশের কৃষি উন্নয়ন অগ্রগতি বিপাক হতে দেবে না। সব পরিকল্পনার প্রাথমিক ক্ষেত্র হিসেবে কৃষি জমি কেন্দ্রিক ক