মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন: সপ্তাহে দুই দিন মাছ ও ভাত প্রদানের প্রস্তাব
দ ই দ ন কর ম ছ – পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক সুবিধার্থী খাবার প্রকল্প ‘মা ক্যান্টিনে’ কর্মসূচির প্রস্তাব সম্পর্কে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান যে দুই দিন করে মাছ খাওয়াবো, কারণ বর্তমান সংস্করণে স্থানীয় ক্যান্টিন কেন্দ্রগুলোতে প্রতি সপ্তাহে দুদিন মাছ ও ভাত প্রদান করা হবে। প্রস্তাবটি কেন্দ্রগুলোর কাছে সরাসরি জনগণের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে চালু করা হবে, যার ফলে প্রতিটি স্থানে সুবিধা প্রদানের সুযোগ থাকবে।
প্রশাসনিক বৈঠকে বেরিয়ে আসার সময় শুভেন্দু অধিকারী জানান, “আমরা প্রাথমিকভাবে আলোচনা করেছি এবং দুই দিন করে মাছ খাওয়াবো, যেহেতু দুই দিন করে মাছ ও ভাত প্রদানের কাজ আগামী সপ্তাহ থেকে চালু হবে। এটি আগে থেকে সংস্করণে প্রতি দিন দুপুরে পাঁচ টাকায় খাবার প্রদানের বিষয়ে প্রস্তাব ছিল। যার ফলে সম্পূর্ণ রাজ্যে প্রতিটি ক্যান্টিন কেন্দ্রে স্থানীয় মানুষ সুবিধা পাবে।”
আগে থেকে সংস্করণের প্রতিশ্রুতি
রাজ্যের মানুষের জন্য কার্যকর সুবিধার্থী খাবার প্রকল্প প্রতিটি সংস্করণে পাঁচ টাকায় খাবার প্রদানের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ প্রস্তাব দুই দিন করে মাছ খাওয়াবো এবং আগে থেকে প্রতিদিন দুপুরে সুবিধা প্রদান করা হয়েছিল। প্রতিটি ক্যান্টিন কেন্দ্রে মাছ ও ভাত প্রদানের জন্য নির্ধারিত সময় ছিল দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত। এই প্রকল্পে নির্ধারিত স্থান ছিল প্রায় ৪০০ সংখ্যক ক্যান্টিন কেন্দ্র।
এই সুবিধার্থী খাবার প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি সম্পূর্ণ রাজ্যে মানুষের জন্য কার্যকর হয়েছিল। দুই দিন করে মাছ খাওয়াবো এবং তা প্রতিটি ক্যান্টিন কেন্দ্রে সুবিধাভোগীদের প্রাপ্তির জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্রগুলো বিভিন্ন স্থানে পরিচালিত হবে, যেমন রাজ্যের স্থানীয় কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ করে সামাজিক সুবিধাভোগীদের জন্য। এই প্রকল্প কোনও ক্ষেত্রে স্থানীয় মানুষের জন্য সামাজিক সম্পর্ক বিস্তারের কাজে সহায়তা করবে।
নতুন কর্মসূচি: সরাসরি জনগণের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে সংস্করণের উন্নয়ন
আগামী সপ্তাহ থেকে চালু হবে একটি নতুন কর্মসূচি ‘আপনার সরকারকে বলুন’। এই কর্মসূচি দুই দিন করে মাছ খাওয়াবো এবং আগে থেকে সংস্করণের প্রাপ্তি সম্পর্কে জনগণের মতামত গ্রহণ করতে সাহায্য করবে। সামাজিক সুবিধাভোগীদের জন্য সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে দুই দিন করে মাছ খাওয়াবো প্রকল্পটি এগিয়ে আসবে। কেন্দ্রগুলো বিভিন্ন রাজ্যের সদর এলাকাগুলো, পুরসভা এলাকা এবং সরাসরি স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে পরিচালিত হবে।
প্রস্তাবটি সরাসরি ব