News

কোরবানির হাটে বৃষ্টির হানা, বিপাকে গরুর ব্যাপারীরা

og_1779780488_6a154b8836aed

ঈদ উপলক্ষে ঢাকার কোরবানি হাটগুলোতে সকাল থেকেই বিশাল ভিড় ছিল

Bangladailypost.com – ক রব ন র হ ট ব – ঈদ উপলক্ষে ঢাকার কোরবানি হাটগুলোতে সকাল থেকেই বিশাল ভিড় ছিল। গরু বিক্রি করার আশায় এখানে পরিবারের সদস্যদের দেখা গেছে। কিন্তু দুপুর দশটা বাজার পর ঝুম বৃষ্টি হলে হাটজুড়ে দেখা দেয় বিপাক। গরু দাঁড়ানো অসম্ভব হয়ে পড়ে হাটের বেশিরভাগ অংশ। এতে পশু নিয়ে আসা ব্যাপারীরা বিপদে পড়েছেন।

বৃষ্টির হানা হাটের বিপর্যয় ঘটিয়েছে

শাহজাহানপুর হাটে কুষ্টিয়া থেকে আসা ব্যাপারী আবদুল মালেক বলেন, সকালে ক্রেতাদের ভিড় ছিল ভালো। কিছু ব্যক্তি গরু দেখে দাম পরিবর্তন করছিলেন বলে জানান তিনি। কিন্তু দুপুরে বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর সবাই হাট ছেড়ে চলে গেছে। এতে পরিবহন খরচ, খাবার ও শ্রমিক ক্ষেত্রে খরচ প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। গরুগুলো ভিজে যাওয়ায় অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা উঠেছে।

“সকালে বিক্রি ভালোই হয়েছে। ক্রেতারাও ভালোই আসছিলেন। কিন্তু বৃষ্টি সব নষ্ট করে দিল। এভাবে বৃষ্টি হলে আমাদের সামনে ঘোর বিপদ হতে পারে।” বলেন শাহজাহানপুর হাটে গরু বিক্রি করেন মো. আসাদুল ইসলাম।

কমলাপুর পশুর হাটেও একই চিত্র দেখা যায়। বৃষ্টির সময় ব্যাপারীরা গরু রক্ষার জন্য ত্রিপল টাঙিয়ে চেষ্টা করেন। কাদা-পানির কারণে খামারিরা পরিবার নিয়ে চলাফেরা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ক্রেতাদের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ব্যাপারীদের আরও কষ্ট হচ্ছে।

ব্যাপারীদের পরিস্থিতি কী হয়েছে

“গত বছরের তুলনায় এবার পরিবহন খরচ কয়েক হাজার টাকা বেশি হয়েছে। সেই খরচ পুষিয়ে নিতে ভালো দামে গরু বিক্রি জরুরি। কিন্তু আবহাওয়া বিপাকে এই আশা কমে যাচ্ছে।” বলেন কমলাপুর হাটে সিরাজগঞ্জ থেকে আসা ব্যাপারী মো. মিন্টু মিয়া।

কমলাপুর হাটে চুয়াডাঙ্গা থেকে আসা ব্যাপারী নুর ইসলাম বলেন, বৃষ্টি শেষে গরু ব্যাপারীদের গরুর শরীর থেকে পানি মুছে দেন। তিনি আরও জানান, দুপুরে পর পুরো হাট কর্দম। পশু পরিবহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে এবং বাজারের আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়ায় ব্যাপারীদের আয় কমে আসছে।

অনেক ব্যাপারী বলছেন, যদি বৃষ্টি আরও দীর্ঘ সময় চলে থাকে, তবে কোরবানি হাটে দাম ভালো হবে না। প্রতিদিন পশু রক্ষা করতে হয় বলে জানান একজন ব্যাপারী। তিনি আরও বলেন, মুখ্য ক্রেতাদের বিশেষ আকর্ষণ হাটে থাকে কিন্তু আবহাওয়া অবস্থার কারণে এ নাম পরিবর্তন করছে না।

ব্যাপারীদের আরও কষ্ট হচ্ছে কারণ হাটে বিশাল ভিড়ের কারণে সময় বেশি হয়ে পড়ছে। তবে কোরবানি হাটের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার জন্য কিছু প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসছে। যারা ক্রেতাদের সুবিধার জন্য অতিরিক্ত সাহায্য করছেন। তিনি আরও জানান, এতে হাটে অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *