Article

হামের উপসর্গে অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি

হামের উপসর্গে অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি হ ম র উপসর গ অবহ ল - বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ হার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে

Desk Article
Published May 26, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

হামের উপসর্গে অবহেলা নয়, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি

হ ম র উপসর গ অবহ ল – বাংলাদেশে হামের সংক্রমণ হার দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে অস্থায়ী ক্ষতির সৃষ্টি করছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে এই পরিস্থিতির পেছনে নিয়মিত টিকাদান থেকে পিছনে গেলে এবং মানুষের কাছে হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণে ভয় আছে। এখন থেকে শিশুদের জীবন সম্পর্কে সচেতনতার অভাব এবং সামাজিক সংস্পর্শের দরুন হাম মহামারির আকার নিতে পারে।

প্রতিবেশী স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, একটি জনগোষ্ঠীকে পুরোপুরি রক্ষার জন্য কমপক্ষে ৯৫ শতাংশ মানুষ টিকাদানের আওতায় আসতে হয়। কিন্তু বর্তমানে শুধু ৫৭ দশমিক ১ শতাংশ শিশু টিকা পাচ্ছে। সেই অবহেলার দরুন বিস্ফোট হয়ে উঠছে হাম সংক্রমণের হার।

হাম কী ধরনের রোগ এবং সংক্রমণের প্রক্রিয়া

হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি আরএন ভাইরাস দ্বারা হয়ে থাকে এবং শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তি কাশি বা হাঁচি দিলে বাতাসে ভাইরাস ছড়িয়ে যায়, অন্য কেউ সেই বাতাসের সংস্পর্শে এলে খুব সহজেই আক্রান্ত হতে পারে। এই ভাইরাস দুই ঘণ্টা পর্যন্ত জীবিত থাকতে পারে। কিন্তু শিশুদের জন্য এটি আরও বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যেহেতু এ বয়সে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পূর্ণ হয় না।

রোগ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত প্রাকৃতিক হারে প্রতিদিন বৃদ্ধি পেয়েছে। জনগোষ্ঠীতে হাম ভাইরাস দুই ঘণ্টা পর্যন্ত বাতাসে থাকতে পারে, যা শিশুদের জন্য খুব ঝুঁকি বাড়ায়। একই ঘরে থাকা, আক্রান্ত শিশুর ব্যবহৃত জিনিসগুলো স্পর্শ করা কিংবা ভিড়ের মধ্যে থাকা সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

তীব্র চিকিৎসা প্রক্রিয়া ও প্রতিরোধ নিশ্চিতকরণ

হাম বা মিজেলস একটি ভাইরাসজনিত রোগ, যা শুরু হওয়ার ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নিজে থেকে ভালো হয়ে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা পুরোপুরি হয় না। ফলে নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে যেমন নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া বা মারাত্মক পানিশূন্যতা।

চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না, যেহেতু অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী স্বাস্থ্য বিধি মানতে পারে। কিন্তু শিশু শ্বাসকষ্ট হয়, খেতে না পারে বা শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিলে তুঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি। এমআর টিকার পর কোনো শিশু সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেয়েছে বলে মনে করছেন ডা. নুসরাত জাহান।

টিকা দেওয়ার পরও কিছু শিশু হাম আক্রান্ত হতে পারে বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। কিন্তু এমআর টিকা দ্বারা অধিকাংশ শিশু পুরোপুরি রক্ষিত হয়। বর্তমানে প্রতি শিশুর জন্য দুই ডোজ টিকা দেওয়া দরকার।

Leave a Comment