ইরান কখনোই পিছু হটবে না: শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা
ইর ন কখন ই প ছ হটব – ইরান কখনোই পিছু হটবে না এই উক্তি মোহাম্মদ বাকের জোলঘাদর দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে, যিনি ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে নতুন পদে গৃহীত হন। বৈঠকে তিনি জনগণের মনোভাব নিয়ে প্রস্তাব দিয়েছেন যে দেশটি কোনও পরিস্থিতিতেই পিছনে হটবে না। এটি সামরিক দিকনির্দেশনা এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে।
নতুন কর্মকর্তার নেতৃত্বে সামরিক গুরুত্ব বৃদ্ধি
গত মার্চ মাসে জোলঘাদর সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন। এই নেতৃত্ব আলী লারিজানির পর জনগণের সামরিক প্রতিরোধের সংগ্রাম বাড়ানোর জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষে ইরানের পুনরায় সংগঠিত হওয়া সামরিক ক্ষেত্রে আরও বৃহত্তর প্রভাব ফেলছে।
আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ও সংহতির চেষ্টা
বিশ্লেষকদের মতে, জোলঘাদরের নেতৃত্ব ইরানের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং সামরিক স্বাধীনতার সংহতি বজায় রাখতে সাহায্য করছে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে সামরিক আলোচনার চেষ্টা চলছে, যার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী অস্ত্র বিতরণ ও সামরিক অভিযান বাড়ানোর আশা রয়েছে।
“ইরানের জনগণ কখনোই পিছু হটবে না। কোনও পরিস্থিতিতে সেই লড়াইয়ে পিছনে হটা হবে না। বিভেদ সৃষ্টিকারী যে কোন কথা বা কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ইরানকে চূড়ান্ত বিজয়ের পথে নিয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।”
ইরানি সামরিক বাহিনীর স্বাধীনতার দিকে আরও গুরুত্ব বৃদ্ধি করা হয়েছে যখন জোলঘাদর এই পদ গ্রহণ করেন। তাঁর বক্তব্যে বৈশ্বিক কোনও চ্যালেঞ্জ ইরানের জনগণের আত্মবিশ্বাস কমাবে না বলে জাহির করা হয়েছে। এই দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ইরানের নীতিগুলির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
ইরানের পুনরায় সামরিক দিকে এগিয়ে চলা চালু হয়েছে যখন রাস্তায় নেমে আসা জনগণের সাহসী প্রতিরোধ প্রকাশ করে। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীদের সম্মুখীন হওয়ার পরিবর্তে আত্মবিশ্বাস ও স্থায়ী গুরুত্ব বজায় রাখার জন্য ক্রমাগত প্রচেষ্টা করছেন।
গত কয়েক মাসে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে যার ফলে সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়। তবে এই প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী সমালোচনার সামনে তাদের প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে প্রকাশ করেছে।
শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার বক্তব্য বিশ্বের কিছু গুরুতর পরিস্থিতির প্রতি ইরানে