News

গিলা-চামড়াতেই মাংসের স্বাদ খুঁজছেন নিম্নবিত্তরা

গিলা-চামড়াতেই মাংসের স্বাদ খুঁজছেন নিম্নবিত্তরা গ ল চ মড় ত ই ম - বগুড়া শহরের ফতেহ্ আলী বাজারে গৃহিণী জীবন বেগম তাঁর তিন বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে এসেছিলেন।

Desk News
Published May 14, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

গিলা-চামড়াতেই মাংসের স্বাদ খুঁজছেন নিম্নবিত্তরা

গ ল চ মড় ত ই ম – বগুড়া শহরের ফতেহ্ আলী বাজারে গৃহিণী জীবন বেগম তাঁর তিন বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু মুরগির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে তাঁর ব্যাগে কোনো আস্ত মুরগি উঠে আসেনি। দোকান ঘুরে দীর্ঘশ্বাস ফেলে তিনি বলেন, ‘ছোট বাচ্চা মাংস খেতে চায়, কিন্তু আগে যে ছোট মুরগি কিনতাম তাও পারছি না। ফলে বাধ্য হয়ে গিলা-কলিজা ও চামড়া কিনতে বাধ্য হয়েছি।’

বাজারে তাজা মুরগির চেয়ে কাটা অংশ বেশি চাহিদা দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন হোটেল, চাইনিজ রেস্তোরাঁ এবং ফাস্টফুড দোকান থেকেও কম দামে গিলা, কলিজা ও অন্যান্য অংশ সংগ্রহ করা হচ্ছে। পরে এগুলো বাজারে নতুন পণ্যের সাথে মিশিয়ে বিক্রি হচ্ছে।

খাদ্য তালিকায় হারিয়ে যাচ্ছে আস্ত মুরগি

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত মানুষের খাদ্য তালিকার বেশি অংশ আস্ত মুরগি থেকে বের হয়ে গেছে। বগুড়ার সবচেয়ে বড় কাঁচাবাজারে এখন গিলা-কলিজা এবং চামড়ার জন্য আলাদা দোকান গড়ে উঠেছে। বিভিন্ন ক্রেতারা অভিযোগ করেন যে কিছু অংশ বরফে সংরক্ষণ করে বিক্রি হচ্ছে বা পুরোনো অবিক্রিত অংশ নতুন পণ্যের সাথে মেশানো হচ্ছে।

‘গিলা-কলিজায় কিছু পুষ্টিগুণ থাকলেও অতিরিক্ত চামড়া ও চর্বিযুক্ত অংশ নিয়মিত খাওয়া হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের ঝুঁকি বাড়াতে পারে,’ পুষ্টিবিদ জেনিফা জাসিয়া বলেন।

পুরোনো দাম ছাড়া নতুন ধরনের খাদ্য বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অনেক ব্যবসায়ী আলাদা করে গিলা-কলিজা বিক্রি করছেন। মুরগি ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান বলেন, ‘এখন কাটা অংশের ক্রেতা বেশি। মানুষ ৫০-১০০ টাকার মধ্যে কিছু নিতে চায়। তাই দোকানিরাও অংশ বিক্রি করছেন।’

বর্তমানে তাঁর দোকানে চামড়া দর ৬০ টাকা কেজি, গিলা-কলিজা ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, গলা ১২০ টাকা এবং পা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। সব অংশ মিশিয়ে ১২০ টাকায় মিক্সড আইটেমও বিক্রি হচ্ছে।

বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২২০ টাকা কেজি, লেয়ার মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা, সোনালি বা পাকিস্তানি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে প্রায় সব ধরনের মুরগি।

আবু সাঈদ বলেন, আগে ২৬০ টাকায় কিনতাম যেটা এখন ৩৬০ টাকা হয়ে গেছে। বাজারে গেলে হিসাব মেলানো যায় না। অতিরিক্ত খামার মৃত্য�

Leave a Comment