পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে আইসিআরসির প্রশিক্ষণ প্রস্তাব
প ল শ র দক ষত ব – ২৪ মে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্য রেডক্রস (আইসিআরসি) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান নিকোলাস ফ্লাউরির মধ্যে সাক্ষাৎকালে আইসিআরসি পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য নূতন প্রস্তাব জমা দেন।
সাক্ষাৎকালে আলোচিত বিষয়গুলি রোহিঙ্গা সংকট সহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ছিল। কারাবন্দিদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা, জেল কোড যুগোপযোগী করার প্রস্তাব, পুলিশ ও কারাগারের প্রশিক্ষণে মানবাধিকার এবং প্রাথমিক চিকিৎসার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধানকে স্বাগত জানান। এ বিষয়ে তিনি নতুন পোর্টফোলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আইসিআরসি প্রতিনিধিদলের প্রধানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
জেল কোড ও চিকিৎসা প্রস্তাব
আইসিআরসি বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের প্রধান জানান, বর্তমান জেল কোড আপডেট করার জন্য তারা প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রেরণ করেছেন। অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের প্রস্তাবে যোগ দেন।
চিকিৎসা সুবিধা ও প্রশিক্ষণ
কারাগারে বন্দিদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। অভ্যন্তরীণ মেডিকেল ইউনিটের মাধ্যমে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা বিস্তার করা হচ্ছে।
পুলিশ ও কারাগারের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আইসিআরসির প্রস্তাবগুলি প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের আয়োজন পেশাদারত্ব বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয়।
ফার্স্ট এইড ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন নিকোলাস ফ্লাউরি। তিনি বলেন, পুলিশ ও কারাগারের উচ্চতর কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ আয়োজনে আগ্রহী।
সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য ও মানবিক সেবা প্রদানে আইসিআরসি কাম্য প্রদান করেছেন বলে মন্ত্রী আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা সংকট