বিশ্ববাজারে তেলের দামে গুরুতর পতন হচ্ছে মার্কিন ও ইরানের যুদ্ধবিরতির কারণে
ব শ বব জ র ত ল – বিশ্ববাজারে তেলের দামে সাম্প্রতিক সময়ে বড় পতন লক্ষ্য করা গেলো। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে দাম বেশি কমেছে। এই বৈশ্বিক বাজার পরিবর্তনের প্রভাব এশিয়ার শেয়ারবাজারে প্রতিফলিত হয়েছে। সেখানে সূচকগুলি উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে যে কারণে বিশ্ববাজারে তেলের বিক্রয় প্রবণতা কমে গেছে।
সোমবার (২৫ মে) সকালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৯৮ দশমিক ৩৬ ডলারে নেমে আসে। এই হ্রাসের পরিমাণ পাঁচ শতাংশ। অন্যদিকে, মার্কিন অপরিশোধিত তেল বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ৫ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯১ দশমিক ৫০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। গত সপ্তাহে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য উত্থান হয়েছিল। কিন্তু সেই অস্থিরতা অবশেষে ক্ষীণ হয়ে গেছে যুদ্ধবিরতির আশার সাথে।
মূল্য হ্রাসের কারণ ও পরিস্থিতি
গত মার্চের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা শুরু হয়। এই সমঝোতার কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দামে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ করেন যাতে বিশ্ববাজারে তেলের স্থিতি সুস্থ হতে পারে।
“প্রতিটি পক্ষ সময় নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন ভুল করা যাবে না!”
তেলের দাম হ্রাসের প্রভাব বিশ্ববাজারে বিস্তারিত দেখা যাচ্ছে। এসিয়ান বাজারে দাম কমে গেছে যে কারণে বিশ্ববাজারে তেল বিক্রি বৃদ্ধি হয়েছে। এটি বিশ্ববাজারে তেলের বিক্রয় ও আমদানি ব্যবস্থা পরিবর্তনের একটি প্রতিফলন। কিন্তু এই পতন অবিস্মরণীয় ক্ষেত্রে তেলের দাম কমে গেছে বলে জানানো হয়েছে।
সংঘটিত বিষয় ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা
বিশ্ববাজারে তেলের দাম হ্রাসের প্রধান কারণ হলো ইরান ও মার্কিন যুদ্ধ বিরতির ঘোষণা। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সঙ্গে তার ফোনালাপ হয়েছে বলে জানান ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালি দ্রুত খোলার প্রতিক্রিয়া হয়েছে যে কারণে বিশ্ববাজার