প্রাণিসম্পদমন্ত্রী পশু হাটে নিরাপত্তা ও জাল টাকা ঠেকাতে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন
প র ণ সম পদমন ত র – প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ রাজধানী ঢাকার দিয়াবাড়ীতে কোরবানির পশু হাট পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সাথে বৈঠকে ঘোষণা করেন যে সরকার জাল টাকা ও নিরাপত্তা বিপর্যয় রোধের জন্য সার্বিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন প্রাণিসম্পদমন্ত্রী দেশের সীমান্তপথ থেকে আসা গবাদি পশু বিপর্যয় রোধে নতুন করে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।
হাটে জাল টাকা ও ধূর্ততা বিপর্যয় নেওয়া হয়েছে
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আরও জানান যে হাটের কাজকর্মে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কর্তৃক বিশেষ সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এতে জাল টাকা চিহ্নিত করতে স্পেশাল মেশিন ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন দেশীয় পশু বিক্রি প্রক্রিয়া নিরাপদ করার জন্য ক্রেতাদের ব্যাংকিং সেবা প্রস্তুত করা হয়েছে।
বিক্রয় প্রক্রিয়া স্বচ্ছ করার প্রস্তাব প্রাণিসম্পদমন্ত্রী দিয়েছেন
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে কোরবানি পশুর মূল্য নির্ধারণে ওজনভিত্তিক পদ্ধতি প্রবর্তনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন বর্তমান গঠন ও স্বাস্থ্য ভিত্তিক দরদাম ব্যবহারে একই পশুর দাম ভিন্ন হতে পারে। প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আশা করেন এ বছর কোরবানির চাহিদা সুস্থ পশু দ্বারা পূরণ হবে।
“সরকার বিশেষ সমন্বয় করেছে যাতে পশু হাটে ব্যবসায়ী, খামারি এবং ক্রেতারা নিরাপত্তা পায়।”
সীমান্ত পথ থেকে আসা পশু বিপর্যয় রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে ভারতীয় বা সীমান্ত পথ থেকে আসা গবাদি পশু বিপর্যয় প্রতিহত করতে সরকার কর্তৃক কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আগেই আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সীমান্তরক্ষী বাহিনী, প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন দেশের বিভিন্ন হাটে বিক্রেতা ও ক্রেতার উপস্থিতির কারণে কৃত্রিম সিন্ডিকেট তৈরি করা কঠিন। তিনি জানান যে সরকার পশু হাটের সংস্কৃতি গড়ার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তার বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে ওজনভিত্তিক মূল্য নির্ধারণের কারণে পশু বিক্রয়ের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।
“পশু হাটে জাল টাকা ও নিরাপত্তা বিপর্যয় রোধে আমাদের সর্বাত্মক পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।”
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী জানান পশু সরবরাহ সুস্থ থাকবে
প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ঘোষণা করেন যে দেশে কোরবানির গবাদি পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছ