বাড়ি বিক্রি করে বিদেশে পাঠানো ছেলে ইসরায়েলি হামলায় মৃত্যু বরণ করলো, পরিবারে দুঃখের ছায়া ছড়িয়ে পড়লো
ইসর য় ল হ মল ব ড় – সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামে ভ্যানচালক সুরঞ্জন দাস কারো কাছে আশা করে ছিলেন সংসারে স্থায়ী সম্পর্কে স্বপ্ন দেখার। কিন্তু তার একটি ছেলে শুভ দাস লেবাননে যাওয়ার পর তার আর্থিক অবস্থা আরও আশা ছাড়া হয়ে গেল। সাত বছর আগে তিনি ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর জন্য শেষ সম্পদের অংশ হিসেবে এক শতক জমির বাড়িটি বিক্রি করেন এবং স্থানীয় সমিতি থেকে চার লাখ টাকার ঋণ গ্রহণ করেন। বাড়ি বিক্রির পর পরিবারটি একই গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করে।
তিন বছর পর শুভ দাস কলারোয়া উপজেলার স্থানীয় কয়লা মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করে লেবাননে বাড়ি দেখাশোনা ও বাগানে কাজ করতেন। আগের মাসগুলোতে তিনি প্রতিমাসে প্রায় তেত্রিশ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন, যা সংসার চালানোর সময় ব্যবহার করেছিল। কিন্তু গত দুই মাস তিনি টাকা পাঠাতে পারেনি। সোমবার (১১ মে) রাতে লেবাননের মাইফাদুন এলাকায় চলাচলের সময় ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় তার জীবন বিনষ্ট হয়ে যায়। ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশি নিহত হন।
পরিবারের মানসিক ক্ষতি ও বিদেশে পাঠানোর স্বপ্ন
সুরঞ্জন দাসের সংসারে স্ত্রী শিখা রানী দাস, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছোট ছেলে সুদীপ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে, মেয়ে সাধনা দাস নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্ত্রী শিখা দাস বলেন, ‘দাদা ছিল আমাদের পরিবারের একমাত্র ভরসা। এখন আমাদের পড়াশোনা কীভাবে চলবে জানি না। বাবার ঋণ কীভাবে শোধ হবে, সেটাও বুঝতে পারছি না।’
শুভর বোন সাধনা দাস জানান, ‘দাদা ছিল আমাদের পরিবারের একমাত্র