News

ভিজিএফ চালে পোকা-পচা গন্ধ, ক্ষুব্ধ সুবিধাভোগীরা

ভিজিএফ চালে পোকা-পচা গন্ধ, ক্ষুব্ধ সুবিধাভোগীরা চাল বিতরণের মান নিয়ে আপত্তি উঠেছে ভ জ এফ চ ল প ক - ভিজিএফ চাল পরিষদের সদর উপজেলায় বিতরিত হওয়া চালের গুণ

Desk News
Published May 24, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ভিজিএফ চালে পোকা-পচা গন্ধ, ক্ষুব্ধ সুবিধাভোগীরা

চাল বিতরণের মান নিয়ে আপত্তি উঠেছে

ভ জ এফ চ ল প ক – ভিজিএফ চাল পরিষদের সদর উপজেলায় বিতরিত হওয়া চালের গুণ নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ব্যাপক পরিমাণে উপকারভোগীদের মনে হয়েছে সরকারি চাল পরিষদ তৈরি করা হয়নি বরং কাজ করেছেন না। বিতরণের চাল ছিল বিশেষ করে পোকা ও পচা গন্ধযুক্ত, যা খাওয়া যোগ্য ছিল না। তাই একাধিক ব্যক্তি চাল গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালেও তাদের বাধ্য করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। সমস্যার কারণে উপজেলার নাগরিকরা খাদ্য প্রাপ্তির ব্যাপারে অসন্তুষ্ট হয়েছেন।

শনিবার (২৩ মে) গিদারি ইউনিয়ন পরিষদে এ ধরনের চাল বিতরণের ঘটনা ঘটে। বোয়ালী, লক্ষ্মীপুর এবং কামারজানি ইউনিয়নে সাদৃশ্যপর্বত অভিযোগ শোনা গেছে। উপকারভোগীদের দাবি, চালের রঙ লালচে ছিল এবং এতে স্পষ্ট পোকা ও পচা গন্ধ ছিল। বিশেষ করে একজন উপকারভোগী বলেছেন, “যে চাল পরিষদ দিচ্ছে তা গরু ছাগলও খাবে না।”

“চালে পোকা ও পচা গন্ধ ছিল যেহেতু মনে হচ্ছে পরিষদ মান নিয়ন্ত্রণ করে না,” জানান জরিনা বেগম।

“পচা চালের বিষয়ে সচিবের কাছে বদল করে দেওয়ার কথা বললে তিনি ধমক দিয়ে বলেন, নিলে নেও, না নিয়ে থুয়ে যাও,” বলেন সুমন মিয়া।

গিদারি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদ ঈদু জানান, ইউনিয়নে দুই স্থানে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়েছে। যেখানে তিনি উপস্থিত ছিলেন সেখানে চালের মান ভালো ছিল। তবে বিতরণের সময় সচিব উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু ওখানে চাল পরিষদ বিতরণের ক্ষেত্রে তিনি বিশেষ ধরনের সমস্যা সম্পর্কে জানতেন না। তিনি জানান, প্রতিটি বস্তা ভিজিএফ চাল পরিষদের সামগ্রিক মানের জন্য দায়ী।

ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. ইফতেখার জানান, ভিজিএফ চালের সামান্য দুই-চারটি বস্তা ছিল এরকম। তিনি বলেন, গাইবান্ধা জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তারা ইতিমধ্যে গুদামের চাল পরিদর্শন করেছেন। যেখানে দীর্ঘদিন চাল রাখা হয়েছে সেখানে সামান্য ড্যাম হবেই বলে তিনি দাবি করেছেন।

গাইবান্ধা সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, উপকারভোগীদের সরেজমিনে চালের মান যাচাই করা হবে। যদি নিম্নমানের চাল বিতরণের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা কোনও নির্দেশ দেননি। সুতরাং সমস্যা দূর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নতুন ক্রমানুসারে পরিষ্কার করার ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এ ধরনের চাল বিতরণের প্রতিক্রিয়া স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ করে স্থানীয় সম্প্রদায়ে উঠেছে। সেখানে

Leave a Comment