শাজাহানপুর গরুর হাট / এখন শুধু বাজার যাচাই, দু-একদিনেই জমবে বেচাকেনা
বাজারে ফিরে যাচ্ছেন ক্রেতারা
শ জ হ নপ র গর র – শাজাহানপুর গরুর হাটে বেচাকেনা কোনও ধারণা হয়নি এখনও। ক্রেতারা আসছেন, গরু দেখছেন, দরদাম করছেন তবে বেশিরভাগ বাজার পরিস্থিতি বুঝে ফিরে যাচ্ছেন। বিক্রেতাদের আশা, দু-একদিনের মধ্যেই হাটে জমে উঠবে কোরবানির পশুর কেনাবেচা।
শনিবার (২৩ মে) বেলা ১১টা থেকে পৌনে ১২টা পর্যন্ত শাজাহানপুর রেলওয়ে মাঠসংলগ্ন এলাকা ও রেল কলোনির আশপাশ ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাক ও পিকআপে করে গরু নিয়ে এসেছেন ব্যাপারীরা। তবে হাটের অনেক অংশ এখনো ফাঁকা। নতুন করে গরু আসায় সেগুলো নির্ধারিত জায়গায় রাখা হচ্ছে।
হাটে ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও বিক্রি খুব একটা হচ্ছে না। বেশিরভাগ ক্রেতাই দরদাম করে বাজার ঘুরে দেখছেন।
“ক্রেতারা এসে গরু দেখছেন, গায়ে হাত বুলাচ্ছেন, দরদামও করছেন। কিন্তু এখনো কিনছেন না। আমরা আশা করছি দু-একদিনের মধ্যে বেচাকেনা জমে উঠবে।”
“ঢাকায় গরু রাখার জায়গা কম থাকায় অনেকেই কোরবানির এক-দুদিন আগে গরু কেনেন। এখন মানুষ বাজার বুঝতে আসছেন। দাম কেমন, কোন গরুর দাম কত, এসব দেখছেন। পছন্দ হলে গরু দেখে রাখছেন। আশা করছি ২৫ তারিখ রাত থেকে চাঁদ রাত পর্যন্ত জমজমাট বেচাকেনা হবে।”
বেপারীরা সামনে আশা রেখেছেন
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থেকে ১৫টি গরু নিয়ে আসা শরিফুল ইসলাম বেপারী বলেন, গতকাল হাটে এসেছি। এখন পর্যন্ত একটি গরুও বিক্রি হয়নি। তবে ক্রেতারা আসছেন, দেখছেন। আশা করছি সামনে বিক্রি বাড়বে।
হাটে ঘুরতে আসা উত্তর শাহজাহানপুর এলাকার বাসিন্দা শাকাআত হোসেন বলেন, আজ শুধু বাজার দেখতে এসেছি। চাঁদ রাতে গরু কেনার ইচ্ছা আছে। তবে দরদাম মিলে গেলে আগেই কিনে নেবো। বাচ্চাকে নিয়ে এসেছি, বাজার পরিস্থিতিও বুঝে নিচ্ছি।
“গতবারের তুলনায় এবার দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তারপরও বাজার দেখছি। বাজেটের মধ্যে ভালো গরু পেলে আগেই কিনে নেবো।”