পাহাড়ে হচ্ছে আধুনিক টিস্যু কালচার ল্যাব, মিলবে মানসম্পন্ন চারা
প হ ড় হচ ছ আধ ন – বান্দরবান সদর উপজেলার বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারে এখন দেশের একটি আধুনিক টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরি চালু হতে যাচ্ছে। এই ল্যাব বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলে চাহিদা পূরণ করতে রোগমুক্ত ও মানসম্মত চারা উৎপাদন করতে গবেষণা পরিচালনার জন্য তৈরি করা হয়েছে। উদ্ভিদ সংস্কৃতি ও নতুন কৃষক তৈরি করার উদ্দেশ্যে এই কেন্দ্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের পরিচালক তালহা জুবাইর মাসরু বলেন, এই ভবনটি শুধুমাত্র টিস্যু কালচার কাজের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না। পাহাড়ি অঞ্চলে উচ্চমূল্যের ফল, ফুল, মসলা ও রপ্তানি সম্ভাব্য ফসলের বিষয়ে গবেষণা ও নতুন জাত সংরক্ষণ করতে এটি সাহায্য করবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ‘টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরি কাম হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপন ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় সমাপ্তির পথে চলছে ভবন নির্মাণ।
স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে গবেষণা চালানো হবে
এই ল্যাবে সিরামিকের ইট ও আয়রন চিপস দিয়ে নির্মিত ভবনে পরিবেশবান্ধব স্থাপন করা হয়েছে। ভবনের চারপাশ ও ওপরের অংশ আধুনিক উপকরণ ব্যবহারে প্রাকৃতিক আলো প্রবেশের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে ভেতরে স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা কমবে।
এটাকে সাধারণ একটি ভবন হিসেবে ভাবলে ভুল হবে। আমরা ভবিষ্যতের কৃষি ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য একটি মূল্যবান সার্বিক সুযোগ তৈরি করছি। পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের জন্য রোগমুক্ত ও মানসম্মত চারা নিশ্চিত করা, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং গবেষণাকে মাঠমুখী করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
বালাঘাটা হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক লিটন দেবনাথ বলেন, ভবনের কাজ প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে। এই আধুনিক ভবনে প্রতিটি উপকরণ ব্যবহারের আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। ল্যাব ভবনে আধুনিক মিডিয়া প্রস্তুতি রুম, কালচার রুম, অ্যাক্লাইমেটাইজেশন ও হার্ডেনিং জোন থাকবে। গ্রোথ রুম, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সুবিধা রয়েছে। সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় উপাদান ও হরমোন মিশ্রিত পুষ্টি মাধ্যম তৈরির জন্য মিডিয়া রুমও রয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষিবিজ্ঞানী ড. এম এ রহিম বলেন, টিস্যু কালচার প্রযুক্তি মানসম্পন্ন ও রোগমুক্ত উৎপাদন নিশ্চিত করতে সাহায্য করছে। বা�