কোরবানির ঈদে বাংলাদেশে চার লাখ কোটি টাকার বাণিজ্যের আভাস
ক রব ন র ঈদ ৪ ল – বাংলাদেশে আসন্ন কোরবানির উপলক্ষে চামড়া, পোশাক, ফ্যাশন পণ্য ও অন্যান্য খাতগুলোতে সাধারণত বড় আকারে বাণিজ্য ঘটে। বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি এবার কোরবানির ঈদে দেশে তিন থেকে চার লাখ কোটি টাকার বেচাকেনা ঘটতে পারে বলে আশা করছে।
সমিতির সভাপতি মো. নাজমুল হাসান মাহমুদ বলেন, পশুর বাজার এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তিনি জাগো নিউজকে এমন প্রতিক্ষা দিয়েছেন যে দেশে পশুর উচ্চ সরবরাহ এবং মূল্যস্ফীতির হিসাবে বাজার প্রবণতা স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে থাকলে পশু বিক্রয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে পারে।
বাংলাদেশে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে মোট অর্থনৈতিক লেনদেন সাধারণত দেশের সবচেয়ে বড় মৌসুমি বাজারগুলোর একটি হিসেবে ধরা হয়। ২০২৬ সালে মূল্যস্ফীতি, পশুর উচ্চ সরবরাহ ও পোশাক, কসমেটিকস, ইলেকট্রনিক্স, পরিবহন ও খাদ্যপণ্যের চাহিদা বিবেচনায় অর্থনৈতিক অনুমান অনুযায়ী এবারের কোরবানির ঈদে সারাদেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি থেকে চার লাখ কোটি টাকার বেচাকেনা ঘটতে পারে।
পশু বাজার খাতে সাধারণত দেশের মোট ঈদ বাণিজ্যের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ কেন্দ্রীভূত হয়। ঢাকা মহানগরীর ক্ষেত্রে সেই হিসাবে এবার আনুমানিক এক লাখ কোটি থেকে এক লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা পরিমাণের বেচাকেনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা যায়।
সংগঠনটি তাদের অনুমান অনুযায়ী বলেছে, পশুর হাট ও কোরবানি সংশ্লিষ্ট খাতে আনুমানিক ৪০ থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন ঘটতে পারে। পোশাক ও ফ্যাশন খাতে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং খাদ্য, মসলা, সুপারশপ, রেস্টুরেন্ট খাতে সম্পর্কিত টাকা পরিমাণ ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা। পরিবহন, কুরিয়ার, ই-কমার্স ও অন্যান্য সেবা খাতে আনুমানিক ১০ থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেচাকেনা ঘটতে পারে। আর দা-ছুরি-চাপাতি-বঁটি বাজারে প্রায় দুই থেকে তিন হাজার কোটি টাকার লেনদেন হতে পা�