কিউবার প্রতি ট্রাম্প প্রশাসনের আক্রমণ পরিকল্পনা
ক উব আক রমণ র ছক কষছ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর ধীরে ধীরে চাপ বৃদ্ধি করছেন। এতে রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ, নতুন নিষেধাজ্ঞা এবং অর্থনৈতিক বাধা সহ বিভিন্ন উপায় ব্যবহার করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কিউবা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অভিবাসন দিক থেকে এখন উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
গত ২০ মে মিয়ামিতে রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ একটি মামলা দায়ের করে। অভিযোগে বলা হয়, তিনি ১৯৯৬ সালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী থাকাকালে দুটি বিমান পরিচালনা করে ভূপাতিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই ঘটনায় চারজন ব্যক্তি মারা গিয়েছিল। কিউবার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে রাউল কাস্ত্রোর প্রভাব আজও বিদ্যমান।
৯৪ বছর বয়সী রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে মামলা আর গায়েসা নামে সামরিক নিয়ন্ত্রিত সংস্থার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই দুটি ব্যবস্থার কারণে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্রটিতে দীর্ঘ ছয় দশক পর আবার সামরিক অভিযানের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প এবং তার কিউবান-আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কিউবার সামরিক ও আর্থিক চাপ বৃদ্ধি করেছেন।
হাভানার সামরিক প্রস্তুতি
গত ১৮ মে কিউবার গোয়েন্দা সংস্থার সহযোগিতার সাথে নতুন কূটনৈতিক ও আর্থিক বাধা আরোপ করা হয়েছে। মার্কিন সামরিক পরিকল্পনাবিদ এখন ছোট হামলা থেকে বড় ধরনের অভিযানের বিকল্প খতিয়ে দেখছেন। এই সময় প্রশাসন মার্কিন জনসংখ্যা এবং সাহায্য গ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছে।
“যুক্তরাষ্ট্র কিউবা আক্রমণ করলে তা অকল্পনীয় এক রক্তপাতের জন্ম দেবে।” – কিউবান প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল
তার পরে কিউবার রাজনৈতিক অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশটি স্থায়ী শক্তি ও গৃহযুদ্ধের সামনে আছে। এখন হাভানায় দিনে ২২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে না। এটি কিউবার মানুষদের জীবনযাপনের অসুবিধা বাড়িয়েছে।
বিক্ষোভ ও সংস্কার চেষ্টা
মে মাসে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রতিবাদে হাভানার রাজধানীতে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। মানবাধিকার সংগঠনগুলির তথ্য অনুযায়ী রাজনৈতিক বন্দির সংখ্যা বেড়েছে। এই সংকটে দেশটির সাধারণ নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সরকার লিফলেট বিতরণ করে যুদ্ধ প্রস্তুতির আহ্বান জানাচ্ছে।
রাউল কাস্ত্রোর ভাই ফিদেল কাস্ত্রোর আমল থেকে শুরু হওয়া রাজনৈতিক বিরোধের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পদক্ষেপ নতুন কিছু নয়। বিশ্লেষকদের মতে অর্থনৈতিক সংকট গভীর হলে কিউবার পরিস্থিতির নতুন ধরনের প্রভাব সামনে �