News

ছাত্রদল নেতার চাঁদাবাজি / ‘সমন্বয়ক কও, শিবির কও, প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি কও সব জায়গায় যাবে’

ছাত্রদল নেতার চাঁদাবাজি অভিযুক্ত হন আবু সাঈদ রনি ছ ত রদল ন ত র চ - ছাত্রদল নেতার চাঁদাবাজি অভিযোগ শুরু হয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের

Desk News
Published May 20, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments

ছাত্রদল নেতার চাঁদাবাজি অভিযুক্ত হন আবু সাঈদ রনি

ছ ত রদল ন ত র চ – ছাত্রদল নেতার চাঁদাবাজি অভিযোগ শুরু হয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রদলের নেতৃত্ব প্রত্যাশী আবু সাঈদ রনি বিরুদ্ধে। সম্প্রতি জাগো নিউজের হাতে পৌঁছেছে একটি অডিও রেকর্ড যেখানে তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। অডিওতে তাকে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা গ্রহণের অভিযোগ জানানো হয়।

অভিযুক্ত রনির বক্তব্য

আবু সাঈদ রনি জানিয়েছেন, তিনি সমন্বয়ক কও, শিবির কও, প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারি কও সব জায়গায় টুকটাক যাবে। তিনি যোগ করেছেন যে কয়েকজন ভুক্তভোগী কিছু পরিমাণ টাকা দিয়ে সমন্বয়ে চেষ্টা করছেন এবং রাজনৈতিক কারণে তার নাম মামলায় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন।

অডিও রেকর্ডে জানানো হয়েছে যে রনি কয়েক মাস আগে হোয়াটসঅ্যাপে একটি কথোপকথনে মামলা হোল্ড করার জন্য টাকা দিতে বলেছিলেন। তিনি বর্তমানে জানান, ওই পুরোনো নম্বরে মেসেজ পাঠাতে আমার হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক হয়েছিল যার কারণে কিছু বিষয় ভুলভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়াও তিনি দাবি করেন যে ওই নম্বরটি তিনি ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছেন।

ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে কোন প্রমাণ আছে?

প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে যে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র রনি চাঁদাবাজির অভিযোগ গ্রহণ করেছেন। তিনি বর্তমানে সেই অভিযোগ গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং তার নেতৃত্বে আসার পর পুরোনো নম্বরের মেসেজগুলো মামলার সাথে সংযুক্ত করা হয়েছে।

ছাত্রদল নেতৃত্বে আসার পর রনি জানিয়েছেন যে ওই হ্যাক হওয়া আইডিটি কোনো একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পণ্য বিক্রির সাইটে ভুলভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে কিছু মানুষ তার ওই নম্বরে মেসেজ পাঠাচ্ছিলেন। রনি জানান যে তিনি এমন কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন।

“আমি এমন কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। আমার হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাক হয়েছিল। সেই হ্যাক হওয়া আইডিটি কোনো একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পণ্য বিক্রির সাইটে ভুলভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, যার কারণে বিভিন্ন মানুষ আমার ওই পুরোনো নম্বরে মেসেজ পাঠাত।”

ছাত্রদল সদস্যসচিব মাসুদ রুমী মিথুন জাগো নিউজকে বলেন, কোনো ব্যক্তি ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়ালে বা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন যে কোনো ভুক্তভোগী প্রমাণসহ উপস্থিত হলে তদন্ত করা হবে।

Leave a Comment